গ্রুপ পর্বে ধাক্কা খাওয়ার পুরনো অভ্যাস আছে স্পেনের। চ্যাম্পিয়ন হওয়া ২০১০ আসরে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে শুরু করেছিল লা রোজারা। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ২০১৪ বিশ্বকাপে ডাচরা ৫-১ গোলে স্পেনকে উড়িয়ে শুরু করেছিল। চিলির বিপক্ষে হেরে গ্রুপ পর্বে বিদায় নিয়েছিলেন জাভি-ইনিয়েস্তরা।
পরের দুই আসরেও গ্রুপ পর্বে ধাক্কা খেয়েছে স্পেন। রাশিয়ায় পর্তুগালের বিপক্ষে ৩-৩ গোলের সমতায় টুর্নামেন্ট শুরু। জিততে পারেনি মরক্কোর বিপক্ষে (২-২)। টেনে টুনে শেষ ষোলোয় গিয়ে স্বাগতিকদের কাছে হেরেছিল স্পেন। কাতারেও ‘অভিশাপ’ পিছু ছাড়েনি তাদের। জার্মানির বিপক্ষে সমতার পর জাপানের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল লুইস এনরিকের দল। শেষ ষোলোয় পার হতে পারেনি মরক্কো বাধা।
২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট স্পেন তাই গ্রুপ পর্বের পুঁচকে প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দেকে নিয়ে সতর্ক। তুরস্কের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ২-০ গোলের জয় এবং ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচের সমতা তাদের বাড়তি সতর্ক করেছে।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় আটালান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপভার্দে নিয়ে স্পেনের মিডফিল্ডার মাইকেল মেরিনো বলেন, ‘ম্যাচটা আমাদের সিরিয়াসলি নিতে হবে। প্রথম ম্যাচ সবসময় কঠিন। আমরা অন্য দলগুলোকেও (ধাক্কা খেতে) দেখছি। আমাদের প্রত্যাশা অনেক বড়, কিন্তু পা মাটিতেও রাখতে হবে।’
কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে সার্বিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। দলটির ফর্ম নিয়েও সতর্ক আর্সেনাল মিডফিল্ডার, ‘আমি ভুল না করলে তারা ভালো ফর্মে আছে। বড় দলের বিপক্ষে জয় পাচ্ছে। বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে গা ছাড়া ভাব দেখানোর সুযোগ নেই। তাদের দলের সমন্বয় ভালো এবং তারা সাহসী।’