প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দল কুরাসাও। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ জার্মানির ৭ গোল হজম করতে হয়েছে দলটিকে। অন্যদিকে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই গোল করে রেকর্ড গড়েছে কুরাসাও।
রোববার দিবাগত রাতে (১৪ জুন) হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে কুরাসাওকে চাপে রাখে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
সেই আধিপত্যের পুরস্কারও পেয়ে যায় তারা ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে। ফেলিক্স মেচার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জার্মানরা। এতে করে ২০২৬ বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ডও হয়ে যায় ফেলিক্সের।
তবে ২১ মিনিটে কুরাসাওকে সমতায় ফিরিয়ে জার্মানদের ভড়কে দেন কুরেসিয়ান ফুটবলার লিভানো কোমেনেনসিয়া। এটি বিশ্বকাপ ফুটবলেও কুরাসাওয়ের প্রথম গোল।
পরে ৩৮তম মিনিটে কর্নার থেকে সহজ হেডে গোল করে জার্মানদের এগিয়ে নেন ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক।
তবে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ডি বক্সের ভেতর জার্মানির মিডফিল্ডার ফেলিক্স মেচাকে অবৈধভাবে বাধা দেয়ায় পেনাল্টি পায় দলটি। কাই হাভার্টজ কুরাসাও গোলকিপারকে পরাস্ত করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে গোল ব্যবধান বাড়ান জামাল মুসিয়ালা। ইয়োশুয়া কিমিখের পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে ৪ নম্বর গোলটি করে তিনি।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে গোল বন্যায় যোগ দেন নাথানিয়েল ব্রাউন। দলের হয়ে ৫ নম্বর গোলটি করেন তিনি।
জার্মানির হয়ে ৬ষ্ঠ গোল করেন ডেনিজ উনদাভ। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে এসেছে এই গোলটি।
তবে ৮৮ মিনিটে করা কাই হাভার্টজের গোল ব্রাজিলের বিপক্ষে ৭–১ গোলের স্মৃতি যেন ফিরিয়ে আনে। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির হয়ে ৭ম গোলটি করেন হাভার্টজ। ম্যাচে এটি তার দ্বিতীয় গোল।
প্রসঙ্গত, জার্মানি ফুটবল দল তাদের ইতিহাসে একাধিক ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ৭টি বা তার বেশি গোল করার রেকর্ড গড়েছে। তবে ৭টি গোল করেছে এমন ম্যাচগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও বিখ্যাত ম্যাচ হলো ব্রাজিলের বিপক্ষে। ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল জার্মানি। আর ২০০২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল দলটি।