শিরোনাম
◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:৩০ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উড়োজাহাজে ওঠার আগে ট্রাম্প প্রতিনিধিদলকে চীনা সব উপহার ফেলে দিতে হলো, কেন?

‘চীন থেকে কোনো কিছুই উড়োজাহাজে তোলা যাবে না।’ গতকাল শুক্রবার ট্রাম্পের প্রতিনিধিদল বেইজিং ত্যাগ করার সময় এই বার্তাটিই কঠোরভাবে কার্যকর করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে প্রেস পাস থেকে শুরু করে বার্নার ফোনসহ চীন থেকে দেওয়া সব জিনিসপত্র সংগ্রহ করে আবর্জনার বাক্সে ফেলে দেওয়া হয়।

নিউইয়র্ক পোস্টের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি এমিলি গুডিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এই দৃশ্যের বর্ণনা করেন। তিনি লেখেন, ‘চীনা কর্মকর্তারা যা কিছু দিয়েছিলেন, পরিচয়পত্র, হোয়াইট হাউসের কর্মীদের দেওয়া বার্নার ফোন, প্রতিনিধিদলের জন্য পিন, তার সবকিছুই আমাদের এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সংগ্রহ করে সিঁড়ির নিচে একটি বিনে ফেলে দিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। চীন থেকে আসা কোনো কিছুই উড়োজাহাজে নেওয়ার অনুমতি ছিল না।’

হোয়াইট হাউসের প্রেস পুলও এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, সংগ্রহ করে ফেলে দেওয়া জিনিসপত্রের মধ্যে প্রেসের পরিচয়পত্র, হোয়াইট হাউসের কর্মীদের দেওয়া বার্নার ফোন এবং প্রতিনিধিদলের পিনও ছিল।

ক্যামেরার সামনে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে বেশ আন্তরিক দেখালেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই শীর্ষ সম্মেলনের আড়ালে মার্কিন ও চীনা গণমাধ্যম এবং নিরাপত্তা দলগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক ছিল অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ।

বেইজিংয়ের টেম্পল অব হ্যাভেনে সি চিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের একপর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে থাকা মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের একজন এজেন্টকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র থাকায় তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি কিন্তু এই অস্ত্র বহন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী একটি সাধারণ নিয়ম।

সফর শেষে চলে যাওয়ার সময়ও উত্তেজনা ছড়ায়। চীনা কর্মকর্তারা প্রথমে সাংবাদিকদের দলটিকে প্রেসিডেন্টের গাড়িবহরে যোগ দিতে বাধা দেন। মার্কিন গণমাধ্যম ‘দ্য হিল’ সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে থাকা মার্কিন সহকারীরা শেষ পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ভেদ করে সাংবাদিকদের ভেতরে নিয়ে যান।

যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের চীন সফরের সময় এ ধরনের ‘টানাপোড়েন’ এবারই প্রথম নয়। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যখন হাংঝৌ সফরে গিয়েছিলেন, তখন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ওবামার বৈঠকে কতজন মার্কিন নাগরিক অংশ নিতে পারবেন, তা নিয়ে মার্কিন ও চীনা কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়েছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়