শিরোনাম
◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিষেককে রাহুলের ফোন, বিরোধী রাজনীতিতে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত

লোকসভায় আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কেন্দ্রের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শুক্রবার রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোনে কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রের দাবি, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে ধন্যবাদ জানান রাহুল। এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। ফলে এই যোগাযোগকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়েক দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই আবহেই হঠাৎ এই ফোনালাপ দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতিও সম্প্রতি নজরে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাস করাতে ব্যর্থ হয় কেন্দ্র।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনার আগে তড়িঘড়ি করে আসন বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সংবিধান অনুযায়ী জনগণনার পরেই নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র।

বিরোধীরা একজোট হয়ে তার বিরোধিতা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন সংসদে বিরোধীদের ঐক্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে রাহুল-অভিষেকের এই যোগাযোগ ভবিষ্যতে কৌশলগত সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, বিল ভেস্তে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে শুধু সংসদ নয়, রাজ্যের নির্বাচনী আবহেও নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়