শিরোনাম
◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ১১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪৬ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিখোঁজ ৬ পারমাণবিক বোমা, শত্রুর হাতে পড়ার শঙ্কা!

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে। বিশেষ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘মৃত্যু, খুব ভয়ানক বিপর্যয়’ নেমে আসার হুঁশিয়ারি দেন, তখন পারমাণবিক শক্তি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

এর মধ্যে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ছয়টি পরমাণু ওয়ারহেড। নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

হারিয়ে যাওয়া পরমাণু ওয়ারহেডগুলো এতটাই শক্তিশালী যে তা মুহুর্তেই একেকটি শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। নিহত হতে পারে কয়েক মিলিয়ন মানুষ।

গত কয়েক দশকে অন্তত ছয়টি এমন দুর্ঘটনার ঘটনা রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। সেগুলো এখন যেকেউ খুঁজে পেতে পারে।

মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল।

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।

প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক–১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।

দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: মিরর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়