শিরোনাম
◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০২৬, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যেভাবে ইরানের ১৬৮ স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিডিওতে মিলল প্রমাণ

ইরানের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব জেলায় একটি গার্লস স্কুলে হামলায় ১৬৮ স্কুলছাত্রী ও ১৪ জন শিক্ষক হন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এই নৃশংস হামলা বিশ্ব বিবেকে নাড়া দিয়েছে। শুরুতে হামলার দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে পরে মার্কিন তদন্ত দলের অনুসন্ধান ও ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ হয়, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই রক্তে ভাসে সেই গার্লস স্কুল।

ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে সেই মার্কিন হামলার দৃশ্য দেখা গেছে। নিকটবর্তী একটি নির্মাণস্থল থেকে ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র সেই স্কুলে আঘাত করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ক্যামেরা ডানদিকে ঘোরানোর সময় শাজরেহ তাইয়িবা স্কুলের দিক থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।

তবে আল জাজিরা ও সিএনএনের অনুসন্ধান, বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুলে হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ভূমিকা থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজ-এর গবেষণা সহযোগী স্যাম লেয়ার সিএনএন-কে বলেন, ভিডিওতে দেখা অস্ত্রটি মার্কিন টমাহকের সঙ্গে মিল রয়েছে। তার ভাষায়, ‘ভিডিওতে যা দেখা গেছে তা টিএলএএমের সঙ্গে মিলে যায়। মাঝখানে ডানা ও পেছনে টেইলকিটসহ ক্রুশাকার গঠন রয়েছে।’

সিএনএন-এর সঙ্গে কথা বলা অন্যান্য অস্ত্র বিশেষজ্ঞরাও এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হয়েছেন। তারা বলেন, সাধারণত আকাশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগে হামলার প্রাথমিক ধাপে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

কোনও নির্দিষ্ট ভবনে আঘাত করা হয়েছিল তা সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়নি। তবে সিএনএন-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এটি সম্ভবত আইআরজিসি পরিচালিত একটি মেডিক্যাল ক্লিনিকের ভেতরে বা তার ঠিক পাশের কোনো ভবনে আঘাত করেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা করে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। ইসরায়েল এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে না। এগুলো সাধারণত যুদ্ধজাহাজ বা সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা হয়।

এর আগে স্যাটেলাইট চিত্র ভৌগোলিকভাবে শনাক্ত করা ভিডিও, মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য বক্তব্য এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে সিএনএন শুক্রবার এক বিশ্লেষণে জানায়, হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই সম্ভবত দায়ী। সূত্র: সিএনএন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়