শিরোনাম
◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি 

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৯:১৩ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ধ্বংস করা হয়েছে হয়েছে : ইরানের দাবি

ইরান দাবি করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ধ্বংস করা হয়েছে। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নির্ভুল এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাণ করা ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ রাডারটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। পরবর্তীতে কাতারের কর্মকর্তারাও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে দাবি করা হয়েছে।

তেহরানভিত্তিক সংবাদপত্র ‘তেহরান টাইমস’ সহ বিভিন্ন মাধ্যম আইআরজিসি-এর জনসংযোগ দপ্তরের বরাত দিয়ে জানায়, ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ রাডারের ট্র্যাকিং সক্ষমতা প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এই ধরনের রাডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত শনাক্ত, অনুসরণ এবং প্রতিহত করতে সহায়তা করে।

প্রতিরক্ষা–বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া’-এর তথ্য অনুযায়ী, রাডারটি কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে স্থাপন করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্র এটি স্থাপন করে। এটি বিশেষভাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে এবং উপসাগরীয় মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত লাগবে। তবে এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংঘাতের বিস্তার প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘এপিক ফিউরি’।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে বি–২ স্টিলথ বোমারু বিমান, যার প্রতিটির মূল্য এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এ ছাড়া মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড কম খরচের একমুখী ড্রোন ‘লুকাস’ ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ড্রোনটি ইরান-নির্মিত ‘শাহেদ ১৩৬’ ড্রোনের আদলে তৈরি।

ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। পাশাপাশি বিমানবাহী রণতরী ও গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারও মোতায়েন করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়