শিরোনাম
◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৫ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইসরায়েলের কাছ থেকে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকার উন্নত অস্ত্র কিনছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গোপনে একটি বড় অস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে। চুক্তির আর্থিক মূল্য ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ইন্টেলিজেন্স অনলাইন প্রথম এই গোপন চুক্তির তথ্য প্রকাশ করে। পরে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব তাদের প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমের সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। গত মাসে এলবিট সিস্টেম ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তির কথা জানালেও তখন দেশটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

জানা গেছে, আমিরাত এলবিট সিস্টেমের উন্নত সংস্করণের ‘জে-মিউজিক এয়ারক্রাফট প্রোটেকশন সিস্টেম’ কিনছে। এই প্রযুক্তি লেজারভিত্তিক এবং বিমান লক্ষ্য করে ছোড়া সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের সেন্সর অকার্যকর করতে সক্ষম।

ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদনে এই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতেই উৎপাদন করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তিটির মেয়াদ আট বছর এবং এটিকে ইসরায়েলের ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সংবেদনশীলতার কারণে চুক্তির বেশিরভাগ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অক্সফামের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অস্ত্র চুক্তি বেসামরিক মানুষের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়