শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:৩৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌদি আরবকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়তে হিজবুল্লাহ’র প্রস্তাব

লেবাননের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন ভুলে সৌদি আরবকে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লার সাথে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন গোষ্ঠীটির প্রধান নাইম কাসেম। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবকে অতীতের বিরোধ ভুলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট তৈরি করার আহ্বান জানিয়েছেন কাসেম। এ সময় রিয়াদের সাথে সম্পর্ক ভালো করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০১৬ সালে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলো শিয়া হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রিয়াদ, ওয়াশিংটন এবং লেবাননের অভ্যন্তরে হিজবুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে যোগ দিয়ে লেবাননের সরকারকে চাপ দিচ্ছে এই গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করার জন্য।

শুক্রবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে কাসেম বলেন, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর উচিত হিজবুল্লাহ নয়, বরং ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রধান হুমকি হিসেবে দেখা। এ সময় রিয়াদের সাথে সম্পর্ক সংস্কারের প্রস্তাব দেন তিনি।

কাসেম আরও বলেন, আমরা আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, হিজবুল্লাহ অস্ত্রগুলো লেবানন, সৌদি আরব বা বিশ্বের অন্য কোনো স্থান বা সত্তার দিকে নয়, বরং ইসরাইলি শত্রুর দিকে তাক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা যাতে ইসরাইলের মুখোমুখি হতে পারি এবং তাকে দমন করতে পারি। হিজবুল্লাহর উপর চাপ প্রয়োগ  করলে তা ইসরাইলের জন্য লাভজনক হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের পর সৌদি আরব একসময় লেবাননে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তহবিল জমা করেছিল এবং দক্ষিণাঞ্চল পুনর্গঠনে সহায়তা করেছিল - কিন্তু ইরানের সহায়তায় এই গোষ্ঠীটি লেবানন এবং অঞ্চলে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
 
২০২১ সালে সুন্নি সৌদি আরব লেবাননের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে এবং নিজস্ব রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয়। লেবাননের আমদানিও নিষিদ্ধ করে। এরপর সম্পর্কে তীব্র অবনতি ঘটে। সেই সময় সৌদি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, হিজবুল্লাহ লেবাননের রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করত।
 
এদিকে, হিজবুল্লাহর তৎকালীন মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহ ইয়েমেনে সৌদি আরবের ভূমিকার বারবার সমালোচনা করেছিলেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অঞ্চলে ভয়াবহ রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা গেছে, গত বছর ইসরাইল হিজবুল্লাহকে আক্রমণ করে নাসরুল্লাহকে হত্যা করে এবং ডিসেম্বরে বিদ্রোহীরা গ্রুপটির সিরিয়ান মিত্র বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়