শিরোনাম
◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৭:১৬ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংসদে বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ

সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে গঠিত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি তাদের রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করেছে। এই রিপোর্টে জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়িয়ে কমপক্ষে তিন মাস করা, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ডিজিটাল মনিটরিং চালুসহ মোট ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন এবং অভ্যন্তরীণভাবে প্যানিক বায়িং ও অবৈধ মজুদের কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হয়। এই সংকট মোকাবিলায় এবং ভবিষ্যৎ সংকট প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। 

সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়। কমিটি গত ৩ মে এবং ১৯ মে তারিখে দুটি বৈঠক করে এই সুপারিশমালা চূড়ান্ত করে।

বিশেষ কমিটির গৃহীত ১২টি মূল সুপারিশের মধ্যে রয়েছে:
জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে ৩ মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করে ডিজিটাল মনিটরিং চালু করতে হবে।

অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার (এলএনজি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি) বৃদ্ধি করতে হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপ লাইন ও এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল-২ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি পণ্য আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় স্টাডি করা প্রয়োজন।

রুফ টপে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সে সোলার চলছে কিনা, এর তদারকি জোরদার করার জন্য সুপারিশ করা হয়।

সিস্টেম লস হ্রাস করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তেল, গ্যাস, কয়লা, সোলার, উইন্ড এ সকল খাত হতে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তার ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা পূর্বাভাসের জন্য সরকারের উচিত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের কমিটির মাধ্যমে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করা। সরকারের চাহিদার অতিরঞ্জিত পূর্বাভাস তৈরি করা উচিত নয়।
 
কয়লা সম্পদ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্প হওয়ায় এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। বড়পুকুরিয়া থেকে কয়লা অন্যান্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা অথবা স্বতঃস্ফূর্ত দাহ এড়াতে বিকল্প খাতে বিক্রির জন্য সাশ্রয়ী ও নিরাপদ সমাধান খুঁজতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়