শিরোনাম
◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাঙন ঠেকাতে তৃণমূলে বড় রদবদল, পুরোনো নেতাদের ফিরিয়ে আনলেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর দলত্যাগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ৬০ জন বিধায়ক। এরই মধ্যে খবর আসছে, সংসদের নিম্নকক্ষ তথা লোকসভায়ও ভাঙনের মুখে পড়তে চলেছে দলটি। তবে ভাঙন ঠেকাতে সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছেন দলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পুরোনো ও বিশ্বস্ত নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে এনেছে দলটি।

গতকাল শনিবার দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, সমালোচনা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রেখেছেন। তবে অভিষেকের একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কিছুটা কমাতে এবং বিদ্রোহীদের শান্ত করতে রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেনকে দলের যুগ্ম জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। গত শুক্রবার কলকাতার কালীঘাটে মমতার বাসভবনে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

সম্প্রতি বিধানসভায় তৃণমূলের দলত্যাগী ৬০ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘নতুন তৃণমূল কংগ্রেস’ নামে একটি পৃথক দল গঠন করেছেন। এই ঘটনার পরই তাৎক্ষণিকভাবে দলের সব কমিটি ও শাখা ভেঙে দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এরই ধারাবাহিকতায় রাজ্য কমিটির দীর্ঘদিনের সভাপতি সুব্রত বকশীকে সরিয়ে সেই পদে আনা হয়েছে মমতাঘনিষ্ঠ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। সুব্রত বকশীকে করা হয়েছে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি, রাজ্য সহসভাপতি করা হয়েছে সাজদা আহমেদ, মমতা ঠাকুর, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বাতী খন্দকারকে।

রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবর আলি, পুলক রায় ও অসীমা পাত্র। রাজ্য কমিটিতে ফেরানো হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও গৌতম দেবের মতো পুরোনোদের। তবে নতুন এই সাংগঠনিক কাঠামোয় জায়গা পাননি কলকাতার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া ফিরহাদ হাকিম। দুই দশক ধরে মমতার বিশ্বস্ত এবং দলের অন্যতম প্রধান সংখ্যালঘু মুখ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর বাদ পড়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেছেন বিশ্লেষকরা।

শাখা সংগঠনগুলোর মধ্যে যুব তৃণমূলে সায়নী ঘোষ এবং মহিলা তৃণমূলে মালা রায়কে সভানেত্রী পদে বহাল রাখা হয়েছে। ছাত্র পরিষদ সভাপতি পদ থেকে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে সরিয়ে প্রিয়াঙ্কা অধিকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক সংগঠনে মলয় ঘটক, হকার্স উইংয়ে মদন মিত্র, কৃষক সংগঠনে বেচারাম মান্না এবং ক্ষেত মজুর সংগঠনে পুর্ণেন্দু বসুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের প্রধান চার মুখপাত্র করা হয়েছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কুনাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে। এ ছাড়া সুভাশিস চক্রবর্তীকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে।

গত শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে ডাকা ওই বৈঠকে ৬০ বিদ্রোহী বিধায়কের কেউই যাননি। বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম নেতা মোশাররফ হোসেন বলেছেন, তারা মমতাকে নেত্রী মানলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মানতে নারাজ। মূল বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাদের আর ফেরার পথ নেই। বিধানসভার স্পিকার এরই মধ্যে তাদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়