শিরোনাম
◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা

প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:৫৫ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বারসহ অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের স্মৃতিতেই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিট থেকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত থাকবে।

দিবসটি ঘিরে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর প্রায় ১৫ হাজার সদস্য। পুলিশের পাশাপাশি দেশজুড়ে দায়িত্ব পালন করবে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয় তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। ১৯৪৮ সালের মার্চে তা সীমিত আকারে বিস্তার লাভ করে এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এর চূড়ান্ত রূপ নেয়। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ মানুষও রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানায় এবং মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতারাতি একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও ২৬ ফেব্রুয়ারি তা গুঁড়িয়ে দেয় সরকার। তবে এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।

পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পর ৭ মে গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সংবিধানে সংশোধন এনে বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা হয়। পরে ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয় এবং একই বছরের ৮ মার্চ থেকে তা কার্যকর করা হয়।

বাংলা ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালে, যখন জাতিসংঘ প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়