শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:৩৭ রাত
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরম খাবার খাওয়ার সময় জিভ পুড়ে গেলে করণীয় কি

গরম চা, কফি কিংবা খাবার খেতে গিয়ে হঠাৎ জিভ পুড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই আছে। সামান্য অসাবধানতায় এমন তীব্র জ্বালা লাগে যে, মুহূর্তেই খাওয়ার আনন্দ মাটি হয়ে যায়। জিভ পুড়ে গেলে জ্বালা, ব্যথা, লালচে ভাব এমনকি কয়েক ঘণ্টা বা এক-দুই দিন পর্যন্ত স্বাদ ঠিকভাবে না পাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই।

ঘরে থাকা কিছু সাধারণ জিনিসেই এই অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। জিভ পুড়ে গেলে প্রথমেই ঠাণ্ডা কিছু ব্যবহার করা জরুরি। সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ কুলকুচি করুন বা পানি মুখে ধরে রাখুন। এতে জিভের তাপমাত্রা কমে গিয়ে জ্বালাভাব অনেকটাই কমে।

চাইলে ছোট একটি বরফের টুকরো মুখে রাখতে পারেন, তবে খুব বেশি সময় ধরে জিভের ওপর রাখবেন না।

এরপর ঠাণ্ডা দুধ বা দই খেতে পারেন। দুধ ও দই পোড়া জায়গায় শীতলতা এনে আরাম দেয়। বিশেষ করে ঠাণ্ডা দই জিভের জ্বালা কমাতে খুব কার্যকর। কয়েক চামচ দই ধীরে ধীরে খেলে দ্রুত স্বস্তি মিলতে পারে।

জিভ পুড়ে গেলে মধুও বেশ উপকারী। পোড়া জায়গায় সামান্য মধু লাগিয়ে রাখলে জ্বালা কমে এবং ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। মধু না থাকলে অল্প চিনি জিভে রেখে গলতে দিলেও কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

অনেকে লবণ পানি দিয়ে কুলকুচির পরামর্শ দেন।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে অল্প লবণ মিশিয়ে দিনে এক-দুই বার কুলকুচি করলে মুখ পরিষ্কার থাকে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। তবে পানি যেন একেবারেই গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

জিভ পুড়ে গেলে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা খুব দরকার। এ সময় ঝাল, টক বা খুব গরম খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো জ্বালা আরো বাড়াতে পারে। ধূমপান বা অ্যালকোহলও এই সময় না করাই ভালো।

সাধারণত জিভ পুড়ে যাওয়ার সমস্যা দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই সেরে যায়। তবে যদি জ্বালা খুব বেশি হয়, ফোসকা পড়ে বা কয়েক দিন পরেও ব্যথা না কমে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, গরম চা বা খাবারে জিভ পুড়ে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ঘরে থাকা এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব।

সূত্র : আজকাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়