ক্যালেন্ডার বলছে এখনও পুরোদমে গ্রীষ্ম আসেনি, কিন্তু এসির বাজার এখনই সরগরম। শেষ মুহূর্তের ভিড় আর চড়া দাম এড়াতে আগেভাগে এসি কেনাকেই 'স্মার্ট মুভ' বলছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। অফ-সিজনে এসি কিনলে আপনি যেমন হাজার হাজার টাকা সাশ্রয় করতে পারবেন, তেমনই পাবেন সেরা মানের পরিষেবা।
১. মুদ্রাস্ফীতি ও দাম বৃদ্ধি থেকে রেহাই
বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রনিক পণ্যের কাঁচামালের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে এসির দামে। সিজন শুরু হয়ে গেলে কোম্পানিগুলো সাধারণত দাম বাড়িয়ে দেয়। তাই এখনই এসি কিনে রাখলে আপনি বাড়তি দামের বোঝা থেকে মুক্তি পাবেন।
২. পুরনো স্টকে বাম্পার ডিসকাউন্ট
গরমের শুরুতে নতুন মডেল লঞ্চ করার আগে শোরুমগুলোতে পুরনো স্টক খালি করার তোড়জোড় চলে। 'ক্লিয়ারেন্স সেল'-এ গত বছরের সেরা মডেলগুলোর ওপর অবিশ্বাস্য ছাড় পাওয়া যায়। ফিচারের দিক থেকে এগুলো আধুনিক হলেও দাম থাকে সাধ্যের মধ্যে।
৩. অফ-সিজন বাম্পার ডিল
অফ-সিজনে চাহিদা কম থাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং লোকাল শোরুমগুলো গ্রাহক টানতে আকর্ষণীয় অফার দেয়। ক্যাশব্যাক, জিরো কস্ট ইএমআই (EMI) এবং ফ্রি গিফটের সুবিধা এই সময়েই সবথেকে বেশি পাওয়া যায়।
৪. দ্রুত ডেলিভারি ও ইনস্টলেশন
চৈত্রের দুপুর বা বৈশাখের গরমে এসি কিনলে ডেলিভারি পেতেই কয়েক দিন লেগে যায়। টেকনিশিয়ানদের ব্যস্ততার কারণে ইনস্টলেশনের জন্য লম্বা লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। এখন কিনলে আপনি অর্ডার দেওয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এসি ইনস্টল করিয়ে নিতে পারবেন।
৫. পছন্দের মডেল পাওয়ার নিশ্চয়তা
সিজন চলাকালীন অনেক জনপ্রিয় এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী (৫ স্টার রেটেড) মডেল 'আউট অফ স্টক' হয়ে যায়। তখন বাধ্য হয়ে কম পছন্দের মডেল বেছে নিতে হয়। অফ-সিজনে স্টক পর্যাপ্ত থাকায় আপনি নিজের পছন্দমতো ব্র্যান্ড ও ফিচার বেছে নেওয়ার সুযোগ পান।
৬. ভালো কাস্টমার সাপোর্ট ও পরামর্শ
এখন শোরুমগুলোতে ভিড় কম থাকে। ফলে সেলস এক্সিকিউটিভরা আপনাকে সময় নিয়ে প্রতিটি মডেলের গুণাগুণ বোঝাতে পারবেন। এতে আপনি ভালো করে তুলনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
৭. উন্নত ইনস্টলেশন কোয়ালিটি
গরমে টেকনিশিয়ানদের ওপর কাজের প্রচণ্ড চাপ থাকে, ফলে অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে ইনস্টলেশন করতে গিয়ে ত্রুটি থেকে যায়। এখন টেকনিশিয়ানরা হাতে সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে আপনার এসি বসিয়ে দিতে পারবেন, যা দীর্ঘমেয়াদী পারফরম্যান্সের জন্য জরুরি।