শিরোনাম
◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিপাহ ভাইরাস কি ছড়িয়ে পড়বে, যা বললো ডব্লিউএইচও

ভারত ও বাংলাদেশে সম্প্রতি নিপাহ ভাইরাসে তিনজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হলেও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হওয়া নিপাহ ভাইরাসের কোনো টিকা নেই এবং এতে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসের তিনটি ঘটনা- দুটি ভারতে এবং একটি বাংলাদেশে- সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা তৈরি করেছে।’

তিনি জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ডব্লিউএইচও দেখেছে যে এর ঝুঁকি কম।
 
গত মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নিপাহ’র দুটি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশে গত সপ্তাহে একজন রোগী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। 
  
ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, দুটি প্রাদুর্ভাব পরস্পর সম্পর্কিত নয়। যদিও উভয় ঘটনাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে এবং একই ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি, সেখানে নিপাহ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হিসেবে পরিচিত ফলখেকো বাদুড়ের উপস্থিতিও আছে।

নিপাহ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮ সালে। সেসময় মালয়েশিয়ায় শূকর খামারিদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। ভারতে প্রথম নিপাহ প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গে রিপোর্ট করা হয়।
 
২০১৮ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে নিপাহ ভাইরাসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। একই রাজ্যে ২০২৩ সালেও এই ভাইরাসে দু’জনের মৃত্যু হয়।
 
নিপাহ সংক্রমণের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, বমি ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ। গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি ও মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত কোমায় পরিণত হতে পারে। সূত্র: দ্য ডন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়