শিরোনাম
◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক

প্রকাশিত : ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৭ দুপুর
আপডেট : ১২ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মৌমাছির বিষে আশার আলো: মেলিটিন যৌগে এক ঘণ্টায় ধ্বংস হয় আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সার কোষ!

প্রকৃতির এক ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিই চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বড় আশা হতে পারে। সম্প্রতি গবেষকরা চমকপ্রদভাবে আবিষ্কার করেছেন, মৌমাছির বিষে থাকা মেলিটিন নামের একটি যৌগ মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে আক্রমণাত্মক স্তন ক্যান্সারের সমস্ত কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম, অথচ আশেপাশের সুস্থ কোষকে একটুও ক্ষতি করে না।

মেলিটিন ক্যান্সার কোষের ঝিল্লি ছিদ্র করে এবং তাদের পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ বা স্বতঃপ্রজননের ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই টিউমার কোষগুলো ধ্বংস হতে শুরু করে, আর সুস্থ কোষ পুরোপুরি অক্ষত থাকে। এই নির্বাচিত কার্যপ্রণালী মেলিটিনকে আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল প্রাকৃতিক ক্যান্সার-নাশক উপাদানগুলোর মধ্যে একটি করে তুলেছে।

গবেষণায় বিশেষভাবে ফোকাস করা হয়েছে ট্রিপল-নেগেটিভ স্তন ক্যান্সারে, যা অত্যন্ত আগ্রাসী এবং চিকিৎসার জন্য অনেকটাই প্রতিরোধী। বর্তমানে ব্যবহৃত থেরাপিগুলো প্রায়শই জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে আসে, কিন্তু মেলিটিন লক্ষ্যভিত্তিক এবং কম ক্ষতিকর বিকল্প হিসেবে কার্যকর হতে পারে। ল্যাব পরীক্ষায় সবচেয়ে জেদী ক্যান্সার কোষগুলোও দ্রুত এবং সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা গেছে।

গবেষকরা এখন মানুষের মধ্যে মেলিটিন নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার উপায় খুঁজছেন, সম্ভবত সিন্থেটিক সংস্করণ বা ন্যানোটেকনোলজি-ভিত্তিক ডেলিভারি সিস্টেম ব্যবহার করে। যদিও ক্লিনিকাল ব্যবহারের জন্য এখনও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হতে পারে, সম্ভাবনা অত্যন্ত বড়।

এটি শুধু বৈজ্ঞানিক সাফল্য নয়, এটি নতুন আশা জাগানো একটি মুহূর্ত। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রকৃতির মধ্যে এখনো শক্তিশালী সমাধান লুকিয়ে আছে, যা আবিষ্কারের অপেক্ষায়।

মৌমাছির ছোট্ট ছোঁয়া থেকে শুরু হয়ে নিরাময়ের পথে মেলিটিন প্রমাণ করে যে, সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদানও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: জনকন্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়