শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২৬, ০৯:১৫ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খাল খননে জেগেছে নতুন স্বপ্ন, মাঠে নেমে কাজ দেখলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের মানিকনগর এলাকায় চলমান খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৪টার দিকে তিনি খননাধীন খাল পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও সম্ভাব্য সুফল সম্পর্কে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকৃত খালটি তালমা ইউনিয়নের তালমা স্লুইসগেট থেকে শুরু হয়ে মানিকনগর হয়ে সন্তোষী পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রায় ৩.৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের সুবিধা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এসময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন মিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

স্থানীয় বাসিন্দা সকিনা বিবি বলেন, “অনেক বছর ধরে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় বর্ষা এলেই আমাদের বাড়িঘর ও কৃষিজমিতে পানি জমে থাকত। খাল খননের কাজ শেষ হলে পানি দ্রুত নামবে এবং আমাদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।”

আরেক বাসিন্দা খালেদা বেগম বলেন, “খালটি একসময় এলাকার প্রাণ ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এটি প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। বর্তমান উদ্যোগের ফলে কৃষকরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি পরিবেশেরও উন্নতি হবে। আমরা খুশি।”

খাল খনন কাজ পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খাল, বিল ও জলাশয় পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন মিয়া বলেন, “এ খালটি এলাকার কৃষি ও জনজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খালটি পুনঃখননের। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় জনগণ অত্যন্ত আনন্দিত। কাজ শেষ হলে হাজারো মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।”

স্থানীয়রা জানান, খাল খনন সম্পন্ন হলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা কমবে, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ফলে তালমা ইউনিয়নের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়