শিরোনাম
◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৫:১৩ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরে ৮০০ টাকা চুরির অপবাদে দুই শিশুকে হাত বেঁধে সিগারেটের সেঁকা

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে ৮০০ টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে দুই শিশুকে হাত বেধেঁ, সিগারেটের সেঁকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মুদি দোকানীর বিরুদ্ধে। শহরের দক্ষিন মার্কাস মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ১১টার দিকে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

নির্যাতিত শিশুদের একজন হচ্ছে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী এলাকার আবদুস সহিদের ছেলে মুজাহিদ হোসেন (৯)। সে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। অপর শিশুটি ভবানীগঞ্জে চরউভূতি এলাকার জিয়াউল হকের ছেলে জিহান হোসেন (১২)। সে মাদ্রাসার হেফজু বিভাগের শিক্ষার্থী।  

পুলিশ, নির্যাতিত শিশু ও স্বজনরা জানায়, শহরের মার্কাস মসজিদ এলাকায় মুদি ব্যবসা করছেন মনির হোসেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার দোকান থেকে ৮০০ টাকা চুরি হয়। এই টাকা চুরির অভিযোগে মুজাহিদ হোসেন ও জিহান হোসেনকে ধরে বেদম মারধর করেন মনির হোসেনসহ আরও কয়েকজন। পরে চোর ধরেছে বলে প্রচারণা চালিয়ে দুই শিশুর হাত বেধেঁ আরও নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে জিহান হোসেনের মুখে সিগারেটের ছেঁকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দুই শিশুর পরিবারকে খবর দেয় অভিযুক্ত মনির হোসেন। পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে দুই শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর দুই শিশুকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের স্বজনরা জানায়, অন্যায়ভাবে চুরির অপবাদ দিয়ে দুই শিশুকে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। তারা চুরির সাথে জড়িত নয়। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তারা।

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মনির হোসেন জানান, আমার দোকানের ক্যাশ থেকে ৮০০ টাকা চুরি করে নেয় তারা। চুরির বিষয়টি স্বীকারও করেছে। হাত বেঁধে নয়, একটি থাপ্পড় দিয়েছি। এর বেশি কিছু জানিনা।

সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, দুই শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এছাড়া এক শিশুর মুখে সিগারেটের ছেঁকাও রয়েছে। তবে তাদের দুইজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চুরি করলে প্রচলিত আইনে বিচার হবে। কিন্তু আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। নিজ হাতে আইন তুলে নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়