শিরোনাম
◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে?

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাংসের আশায় টাকা জমা, শেষমেশ উধাও সমিতির পরিচালকরা

ঈদকে সামনে রেখে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বছরজুড়ে সঞ্চয়ের নামে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করে উধাও হয়ে গেছে একটি সমবায় সমিতির পরিচালকরা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকায়।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নির্ধারিত দিনে মাংস নিতে এসে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগীরা। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রায় ১২০০ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালগ্রাম নতুনপাড়া এলাকার আব্দুল হাকিম, আকরাম ও শাহিন নামের তিন ব্যক্তি ফোর স্টার বিজনেস সমবায় সমিতি নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তারা ঈদ উপলক্ষে সারা বছর সাপ্তাহিক কিস্তিতে টাকা জমা নিয়ে শেষে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সমিতির সদস্যদের দাবি, প্রতি কার্ডের মূল্য ছিল ৫ হাজার টাকা। অনেক পরিবার একাধিক কার্ড নেওয়ায় মোট প্রায় ৭৭ লাখ টাকা জমা পড়ে। তবে নির্ধারিত দিন ১৫ মার্চ মাংস বিতরণ না করে তারা সময় পরিবর্তন করে ১৭ মার্চ নির্ধারণ করে। কিন্তু ওই দিনও তারা উধাও হয়ে যান।

চাপড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা পারুল বলেন, অনেক কষ্ট করে প্রতি সপ্তাহে ১০০-১৫০ টাকা করে জমা দিতাম, যেন ঈদে পরিবার নিয়ে ভালোভাবে কাটাতে পারি। কিন্তু এখন সব শেষ।

অন্য ভুক্তভোগী আখলি বেগম জানান, ১০-১২ কেজি মাংস পাওয়ার আশা ছিল। এখন শুনছি তারা পালিয়েছে। এই ঈদে হয়তো মাংসই খেতে পারব না।

ঘটনার পর সমিতির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্টেডিয়াম ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগীদের থানায় অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তাদের সঞ্চিত টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়