শিরোনাম
◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে?

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে সংকটাপন্ন ভুক্তভোগী

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির পরিবার জানায়, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি আছে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। 

রোববার শিশুটির পরিবার ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ পরদিন সোমবার মাদ্রাসার সুপারকে আটক করে। 

পুলিশ জানায়, দৌলতপুরের বাসিন্দা শিশুটি ৮ মাস আগে ওই মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সে সহপাঠীদের সঙ্গে সেখানে থাকত। গত রোববার মাদ্রাসা ছুটি হওয়ায় শিশুটির মা তাকে বাড়ি নিয়ে যেতে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত সুপারের স্ত্রী তাকে জানান, শিশুটির জ্বর এসেছে। পরে শিশুটিকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে ডাক্তাররা তাকে রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর করেন।

শিশুটি এখন আইসিইউতে রয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পুলিশ আজ অভিযুক্ত শিক্ষক সাইদুর রহমানকে আটক করেছে। 

শিশুটির মা জানায়, তার মেয়েকে ভর্তি করানোর সময় ওই মাদ্রাসায় ছাত্রী ছিল ৪০/৪৫ জন। পর তা কমে ৭ জনে এসেছে। কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, 'আমি এর কঠিন বিচার চাই।' 

শিশুটির বাবা বলেন, 'আমি মূর্খ মানুষ, মেয়েকে কোরআন শেখানোর জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছি। কিন্তু এমন সর্বনাশ কেন করল? এরা পশুর চেয়েও জঘন্য।' 

ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, 'অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়