শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪২ সকাল
আপডেট : ০৯ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লা বিসিকের সেমাই রপ্তানি হচ্ছে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যে

ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই যেত বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, জামালপুরসহ ২২টি জেলায়। এবার কুমিল্লা বিসিকের সেমাই যাচ্ছে দেশের বাইরে মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও ভারতের আসামে। 

কুমিল্লা বিসিক সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা বিসিকের ১০টি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে, খন্দকার ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ, কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, গাউছিয়া ফুড, আরব সুইটস, সততা বেকারি, মেট্রো কনফেকশনারি, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল ও মক্কা কনজুমার অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস প্রভৃতি। কারখানা গুলোতে বাংলা, বার্মা চিলি ও লাচ্ছা নামের তিন প্রকারের সেমাই উৎপাদন করা হয়।

কুমিল্লা বিসিকের খন্দকার ফুড ইন্ডাস্ট্রিজে গিয়ে দেখা যায়, মেশিনে গলগল শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই রুমের ভেতরে শুকানো হচ্ছে। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। বেশি কাজ বেশি আয়, তাই তারাও উৎসবের আমেজে কাজ করছেন। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। এদিকে নিচতলায় ভারতের আসামে পাঠানোর জন্য কভ্যার্ডভ্যানে সেমাইয়ের কার্টন তুলে দেওয়া হচ্ছে। 

কারিগর জাকির হোসেন ও মো. সৈকত বলেন, ঈদে সেমাইয়ের চাহিদা বেশি। তাই আমরা ক্রেতার চাহিদা মেটাতে রাতদিন কাজ করছি। ঈদে বাড়তি আয়ের জন্য সবাই উৎসবের আমেজে কাজ করছেন। 

কারখানার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, সামনে ঈদ-উল ফিতর। বাজারে সেমাইয়ের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে। আমরা পণ্যের মান বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। 

খন্দকার ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ খন্দকার বলেন, আমরা এক যুগ ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদেরও পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এখন মালয়েশিয়া, সৌদি ও ভারতের আসামে যাচ্ছে।

কুমিল্লা বিসিকের মো. মুনতাসীর মামুন বলেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্যসামগ্রীর সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করে থাকি। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এছাড়া বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। আমরা আশা করছি কুমিল্লা বিসিকের পণ্য বিশ্ব বাজারের অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়