শিরোনাম
◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে?

প্রকাশিত : ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:০৭ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরের আলোচিত রোদেলা হত্যা মামলায় স্বামীর ফাঁসি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে বহুল আলোচিত নববধূ সাজিয়া আফরিন রোদেলা (২০) হত্যা মামলায় ঘাতক স্বামী সোহানুর রহমান সোহানকে (৩৫) মৃত্যুদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতব দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক। রায়ে মামলার অন্য সব আসামিকে বেকুসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় দেন। 

রায়ে মামলার প্রধান আসামি স্বামী সোহানকে মৃত্যুদন্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমান করা হয়। একই সাথে বিদেশে পলাতক মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি সোহানকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য সাতজন আসামিকে বেকুসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলায় খালাস প্রাপ্তরা হলেন, রোদেলার ননদ সুমি বেগম (৪৫), শাশুড়ী আনোয়ারা বোগম (৬০), ভাসুর মো. সুমন (৪৫), ভাসুরের স্ত্রী রেখা বেগম (৩০), শ্বশুর মোমিনুর রহমান (৭০), ননদের স্বামী মো. হাফিজ (৫০), ও সোহানের মামাতো ভাই মো. সাজিদ (৪৫)।

রোদেলা ফরিদপুর শহরের আলিপুর খাঁপাড়া মহল্লার শওকত হোসেন খান ও রুমানা খান দম্পত্তির মেয়ে এবং সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

স্ত্রী রোদেলাকে হত্যার পর পরই বিদেশে পালিয়ে যায় সোহান। সেসময় পুলিশ রোদেলার স্বামীকে গ্রেফতার করতে না পারায় সোহানের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠে ফরিদপুরবাসী। বেশ কয়েকবার মানববন্ধনও পালন করে তার সহপাঠীরা। সামাজিকভাবে ব্যাপক প্রভাব পড়ে এই হত্যা মামলা। দীর্ঘদিন এই নিয়ে শহরে আলোচনা সমলোচনা চললে বিষয়টি আলোচিত হয়।

২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি  ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামটের নতুন বাজার মহল্লার মমিনুর রহমান সেন্টুর ছেলে সোহানুর রহমান সোহানের সঙ্গে রোদেলার বিয়ে হয়। বিয়ের মাত্র দেড় মাসের মাথায় ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বামীর বাড়ি থেকে মরদেহ
উদ্ধার করে পুলিশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ময়নাতদন্ত শেষে রোদেলাকে দাফন করা হয়। ১ মার্চ মা রুমানা বেগম বাদী হয়ে রোদেলার স্বামী সোহান, শশুর-শাশুড়ী, ননদ-ভাসুর, ভাসুরীরেরমস্ত্রীসহ পরিবারের ৮ জনের নামে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪১৭/১৭।

রোদেলার মরদেহের ভিসেরা রিপোর্টে শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়ায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গাফফার তদন্ত শেষে স্বামী সোহানসহ আটজনের নামে অভিযোগপত্র দেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি গোলাম রব্বানী রতন বলেন, আদালেতে স্বাক্ষী প্রমাণে স্বামী সোহান দোষী সাবস্ত হয়েছে এবং আদালত তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ায় আমারা এই রায়ে খুশি। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি সোহান স্ত্রী রোদেলাকে হত্যার পর পরই বিদেশে পালিয়ে যায় বলে জেনেছি। তাই তাকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। বর্তমানে তিনি সুইডেনে আছে। তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়