শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাপাসিয়ায় ৩০ বছর ধরে মাটির কূপের পানি পান করে তাজউদ্দিনের পরিবার

এ এইচ সবুজ, গাজীপুর: বহুকাল আগে মানুষ মাটির কূপের (কোয়া) পানি পানসহ দৈনন্দিন সকল কাজে ব্যবহার করতো। যা এখন রীতিমতো বিলীন। বর্তমানে মানুষের বাড়িতে সচল মাটির কূপ (কোয়া) পাওয়া দুষ্কর। একটা সময়ে ছিলো অহরহ।

কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসেও পুরো পরিবারের সবাইকে দৈনন্দিন সকল কাজে ব্যবহার করতে হয় মাটির কূপের পানি।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের বেলাশী গ্রামে। এ গ্রামের ভিটেমাটিহীন-দিনমজুর তাজ উদ্দীনের পুরো পরিবারকে এভাবেই টিউবওয়েল (নলকূপ) ও বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। আধুনিকতার যুগে এসেও তার বাড়িতে নেই বিদ্যুতের সংযোগ। 

তাজউদ্দিন (৫০) জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরেই নিজের খননকৃত কূপের পানি সকল কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে তাকে। নিজের জায়গা জমি না থাকায় থাকতে হয় অন্যের জায়গায়। অন্যের জায়গায় কোন রকমে ছোট্ট দুটি মাটির ঘরেই বসবাস তাদের। অন্যের জায়গায় স্থায়ীভাবে টিউবওয়েল স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার অনুমতি মেলেনি। তাই আধুনিকতার যুগেও যেন অন্ধকারেই জীবনযাপন অতিবাহিত করছে তাজউদ্দিনের পরিবার। 

তাজউদ্দিনের পরিবারের লোকজন ছাড়াও আশপাশের মানুষেরা আসেন তার বাড়ির কূপের পানি পান করতে। অনেক সময় রাস্তা দিয়ে চলাচলকৃত মানুষরাও শখের বসে আসেন একগ্লাস কূপের পানি পান করতে। এমনকি বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসলেও তারা এক প্রকার আনন্দ নিয়েই পান করেন এই পানি। 

এ প্রতিবেদককে তাজউদ্দিন আরো জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত এই কূপের পানি পান করতেছি। কোন ধরণের সমস্যা হচ্ছে না। আমাদের পরিবারের কোনো সদস্যের এ পানি থেকে কোন রোগের সৃষ্টিও হয়নি। এমন কি রান্নাবান্নায় কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়নি। গভীর নলকূপের পানির মতোই সুস্বাদু এই পানি।

তাজউদ্দিনের প্রতিবেশী মোঃ শাহাবুদ্দিন জানান, আমরা প্রায় সময়ই এই কূপের পানি পান করি। এই মাটির কূপের পানি ডালিমের রসের মতো মিষ্টি।

এদিকে তাজউদ্দিন অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকার এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়