স্পোর্টস ডেস্ক : ৪০ বছর পর আবারো বিশ্বকাপের মঞ্চে মুসলিম দেশ ইরাক। আনন্দটা তাই অনেক বেশি। এমন সাফল্য অর্জনের পর দেশে ফিরেই ফুটবলাররা পেয়েছেন রাজকীয় সংবর্ধনা।
ছাদখোলা বাসে করে রাজধানী বাগদাদের পুরো শহর ঘুরেছেন ফুটবলাররা। তাদের ঘিরে উল্লাসে মাতোয়ারা সমর্থকরা। বিশ্বকাপে জায়গা করা ফুটবলারদের বরণ করতে রাস্তায় হাজারো সমর্থকের ঢল। হাতে দেশের পতাকা মুখে জয়ধ্বনি। ফুটবলারদের নাচে-গানে মাতিয়ে রেখেছেন ভক্তরা।
উত্তর মেক্সিকোতে বাছাইয়ের প্লে-অফে আলী আল ফামাদি আর আইমান হুসাইনের গোলে ২-১ এ বলিভিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইরাক। এই দুই সফুটবলারকে দেখতে একটু বেশি আগ্রহী ছিল ভক্তরা। এছাড়া পুরো জাতীয় দলটাই এখন দেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবে দেশে চলা অস্থিরতার মাঝে দেশের মানুষ এটা দিয়ে খুঁজে নিয়েছে আনন্দ। ---- সময়নিউজ
সমর্থকদের একজন বলেন, ‘আমরা খুব খুশি,পুরো দেশের মানুষের জন্য আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দিয়েছেন আমাদের ফুটবলাররা। দেশের মধ্যে যে অস্থিরতা চলছে তার মাঝে এটা আমাদের অনেক প্রশান্তি এনে দিয়েছে।তারা কুর্দি,আরব, সুন্নি, শিয়া সবাইকে নিয়ে উল্লাস করা সুযোগ করে দিয়েছে। তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত।
অন্য ইরাকি সমর্থক বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলা আমাদের অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল। এমন একটা দিনের জন্য আমরা ৪০ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি। ফুটবলারদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ'র প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি আমাদের চেষ্টা বৃথা যেতে দেননি।’
১৯৮৬ সালে সবশেষ বিশ্বকাপে খেলেছিল ইরাক। এরপর তীরে তরি ডুবেছে বহুবার। এবার সেই সুযোগ ধরা দিয়েছে ইরাকের সামনে, বিশ্বকাপেও দারুণ কিছু করবে দল এমনটাই বিশ্বাস ভক্তদের।
২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ 'আই'তে ইরাক। সেই গ্রুপে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ছাড়াও আছে সেনেগাল ও নরওয়ে। ১৭ জুন নরওয়েজিয়ানদের বিপক্ষে ৪০ বছর পর পাওয়া বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবে ইরাক।