স্পোর্টস ডেস্ক: মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। চলতি আসরে গ্রুপ পর্বের দেখায় দুই দলের দ্বৈরথ শেষ হয়েছিল ১-১ ড্রয়ে।
ওই ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন কোচ মার্ক কক্স। ফলে সেমি-ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচে বাংলাদেশের ডাগআউটে থাকতে পারেননি তিনি। ফাইনালে মেজাজ হারাতে চান না কক্স।
আমি সবসময় হাসিখুশি। ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে একটু দুষ্টুমি করে লাল কার্ড পেয়েছিলাম, এজন্য আমি দুঃখিত এবং এ কারণেই বাড়ি থেকে আমার ৮৬ বছর বয়সী মা ফোন করে আমাকে বলেছেন, এই বয়সে দুষ্টুমি কোরো না (হাসি)। এখন আমাদের প্রতিপক্ষ ভারত, যারা দুর্দান্ত একটি দল। দারুণ সব কোচ এবং কোচিং স্টাফ আছে তাদের। আমাদেরও আছে। আমাদের কিছু দারুণ খেলোয়াড় আছে। ভারত দারুণ একটি দেশ, বাংলাদেশও দারুণ।
বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট সাতবার। এর মধ্যে চারবার সেরা হয়েছে ভারত। নেপাল দুইবার এবং বাংলাদেশ একবার শিরোপা জিতেছে। ২০২৪ সালে প্রথম এই শিরোপা জিতে বাংলাদেশ। সেবার অনূর্ধ্ব-২০ ক্যাটাগরির আসরে ফাইনালে নেপালকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে এ নিয়ে চতুর্থবার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৮, ২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ও ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরি- আগের তিন ফাইনালের সবগুলোতেই হেরেছিল বাংলাদেশ।
এই দুই প্রতিবেশি দেশের দ্বৈরথ প্রসঙ্গে কক্স টানলেন নিজ দেশের উদাহরণ। এমন ম্যাচে অনুপ্রাণিত হতে বাড়তি কিছুর প্রয়োজনও দেখছেন না এই ইংলিশ কোচ।
“আমি মনে করি, সবাই ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন, কেবল দেশের ইতিহাস নয়, খেলাধুলার ইতিহাস নিয়েও সচেতন। কেবল ফুটবরল নয়, ক্রিকেট, হকি এবং সবকিছুর ইতিহাস নিয়েই। আমি যেখান থেকে এসেছি, সেই ইংল্যান্ডের যেমন স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সাথে দ্বৈরথ আছে, এখানেও বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে দ্বৈরথ আছে। সবসময় আপনি চাইবেন, কাছের প্রতিপক্ষকে হারাতে।