স্পোর্টস ডেস্ক : সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গ। নিয়ম করে জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়কের আপডেট দিচ্ছেন বিসিবি কর্তারা। তাদেরও চাওয়া সাকিব আবারও খেলুক লাল-সবুজের জার্সিতে। সেই অনুযায়ী কাজও করছেন তারা। তবে সব কিছু ঝুলে আছে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।
২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর সাকিবের নামে হয়েছে একাধিক মামলা। এছাড়াও শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিসহ বেশ কয়েকটি মামলা তার নামের পাশে আছে। --- ডেইলি ক্রিকেট
সাকিবের মামলাগুলোর প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘সাকিবের ব্যাপারে ক্রিকেট বোর্ড থেকে যা যা করার ওনার মামলার কাগজপত্রগুলো, ওইটা জায়গা মতো দেওয়া আছে। এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। অবশ্যই, আমাদের ক্রিকেট বোর্ড থেকে যেই কাজটা করা দরকার ওইটা করে ফেলেছি।
বিসিবি সহ-সভাপতি আরও বলেন, ‘উনি (সাকিব) সিদ্ধান্ত নেবেন প্রথমে ফিটনেস লেভেলটা কী, দেশে আসতে পারবেন কিনা। তারপর অনেক কিছুর উপর নির্ভর করছে উনি খেলতে পারবেন কিনা। খেলার পর্বটা আরও অনেক পরে। এই মুহুর্তে বলা কঠিন।’
বেশ কিছুদিন ধরে সাংবাদিক ও বিসিবির মধ্যে সম্পর্ক ভালো না। বিশেষ করে বিসিবিতে সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধি-নিষেধ দেওয়ার পর। তবে ফারুক চান দুই পক্ষের মধ্যে সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক।
তিনি বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিক) যেই কাজটা করছেন, ক্রিকেট খেলাকে জনপ্রিয় করার জন্যই। আগে শুধু প্রিন্ট মিডিয়া ছিল, এখন ইলেকট্রনিক মিডিয়া আসছে, সোশ্যাল মিডিয়া আসছে। এখন জিনিসটা কিন্তু একদম আরও বেশি ফোকাসড। সুতরাং যেই কাজটা আপনারা এতদিন করে গেছেন, আগামীতে আশা করি করবেন। এটা ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে, দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে, সর্বোপরি খেলাধুলার উন্নয়নের জন্য সহায়ক হবে।
ফারুক যোগ করেন, ‘আমি মনে করি যে আমরা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যারা আছি রাইট ফ্রম দ্য ক্রিকেট বোর্ড, খেলোয়াড়, সাংবাদিক, যারা আছে ক্রিকেট সংক্রান্ত, সবার সাথে একটা সুসম্পর্ক থাকা খুবই জরুরি।
কেননা আমাদের সবার লক্ষ্য কিন্তু একটাই। একটা লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট। এই জন্য আমার মনে হয় আরেকটু সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক হলে ভালো হয়।