স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার এমন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি অনেক সাবেক ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে অন্যতম পাকিস্তানের রশিদ লতিফ। পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
শনিবার ‘কট বিহাইন্ড’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, ‘যদি পাকিস্তান না যায়, তবে সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাবে। এটি আর বিশ্বকাপ হিসেবে টিকে থাকবে না। ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার মতো ম্যাচ হতে পারে, কিন্তু বিশ্বকাপের মান নষ্ট হয়ে যাবে। বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাবে। --- ডেইলি ক্রিকেট
পাশাপাশি এক্স পোস্টেও তিনি এ বিষয়ে লিখেছেন। এই মুহূর্তে পাকিস্তানও সরে গেলে সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংধারী হিসেবে ২১ নম্বরে থাকা উগান্ডার খেলার প্রসঙ্গ টেনে লতিফ লিখেছেন, ‘যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে তাদের পরিবর্তে উগান্ডা খেলবে এবং ভারত বনাম উগান্ডার ম্যাচটি আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, যার ধারণক্ষমতা ১,৩২,০০০।
পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে গেলে তখন ভারতের গ্রুপে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া ও উগান্ডা।
ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শ্রীলঙ্কায় খেলার জন্য আইসিসির কাছে মেইল করেছিল তারা। তবে বিসিবির দাবি নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নিয়েছে।
এমন সিদ্ধান্তের পর আইসিসির নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার জেসন গিলেস্পি। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বিসিসিআই। যার ফলে আইসিসি তাদের ম্যাচগুলো দুবাইয়ে আয়োজন করে। গিলেস্পি প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের বেলায় কেনো আইসিসির দ্বিমুখী নীতি?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে গিলেস্পি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ কেন ভারতের বাইরে খেলতে পারবে না, আইসিসি কি কোনো ব্যাখ্যা দিয়েছে? আমার যত দূর মনে পড়ে, ভারত পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচ খেলতে রাজি হয়নি এবং তাদের সেই ম্যাচগুলো পাকিস্তানের বাইরে খেলতে দেওয়া হয়েছিল। তাহলে এখন বিষয়টি কীভাবে যুক্তিযুক্ত হয়?