স্পোর্টস ডেস্ক : মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্লে অফে যত খেলছে তত আরো শানিত হচ্ছে পাকিস্তান। তাদের তুলনায় বাংলাদেশ তলানীতে। আক্রমনভাগ রক্ষনভাগে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ ম্যাচে আরো বেশি দুর্বলতা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশ শিবিরে।
বিশেষ করে অতীতে পুস্কর খিসা মিমো কিংবা হাসান যুবায়ের নিলয়ের যে কানেক্টগুলো দেখা গেছে তার ছিটেফোটাও ছিল না শেষ ম্যাচে। ৬, ১৩, ২৪, ৪৪ ও ৫৯ মিনিটে কানেক্টগুলো মিস করেন যথাক্রমে রাকিবুল, আব্দুল্লাহ, সবুজ, ওবায়দুল জয়। ১৫ মিনিটে পোস্ট ফাঁকা পেয়েও গোল করতে ব্যার্থ সোহানুর সবুজ।
এমনিতেই যোজন যোজন পিছিয়ে স্বাগতিকরা। তার উপর এমন মিসগুলো আরো ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে রেজাউল করিম বাবু বাহিনীকে।
পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে ৮-২ গোলে, দ্বিতীয় ম্যাচে ৮-০ গোলে এবং শেষ ম্যাচে ১০-৩ গোলে পরাজিত করলো স্বাগতিক বাংলাদেশকে। রোববার পাকিস্তান ১৫ টি পিসি থেকে ৯ টি গোল আদায় করে নেন। এরমাঝে সুফিয়ান একাই করেন ৬টি গোল, আব্দুর রহমান দুটি এবং নাদিম আহমেদ একটি গোল করেন। একমাত্র ফিল্ড গোলটি করেন রানা ওয়ালিদ।
বাংলাদেশের তিন গোলের মাঝে দুটিই ছিল ফিল্ড গোল এবং একটি পেনাল্টি কর্ণার থেকে। টুর্নামেন্ট মোট ৮টি পিসি মেরে একমাত্র গোলটি করেন এই আসরে নিস্প্রভ আশরাফুল।
বাংলাদেশের গোল : ১৯ মিনিটে আব্দুল্লাহ ফিল্ড গোল, ৪৪ মিনিটে রাকিবুল হাসান ফিল্ড গোল, ৫৭ মিনিটে আশরাফুল পিসি থেকে গোল।
পাকিস্তানের ১০ গোল :
৮, ১০, ১৬, ২৮, ৩৩ ও ৫৬ মিনিটে পিসি থেকে সুফিয়ান ৬ টি গোল করেন।
১৪ ও ৫৮ মিনিটে পিসি থেকে দুটি গোল করেন আব্দুর রেহমান।
৩৯ মিনিটে পিসি থেকে গোল করেন নাদিম আহমেদ।
৫১ মিনিটে ফিল্ড গোল করেন রানা ওয়ালিদ।
এক নজরে :
ম্যাচ সেরা : মঈন শাকিল
সর্বোচ্চ গোলদাতা : সুফিয়ান খান
সেরা গোলরক্ষক : মুনিবুর রহমা
সেরা খেলোয়াড় : রাকিবুল হাসান (বাংলাদেশ)
সিরিজ সেরা : আম্মাদ ভাট