স্পোর্টস ডেস্ক : দুর্দান্ত খেলেছেন নাঈম ইসলাম। তিনি অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) চার দিনে ম্যাচে অসাধারণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৪তম সেঞ্চুরি ৩৯ ছুঁই ছুঁই এই ব্যাটারের। পাশাপাশি পৌঁছে গেছেন লাল বলে ১১ হাজার রানের মাইলফলকে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান তুষার ইমরানের। ১১৯৭২ রান তাঁর। দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ১১ হাজার করেছেন নাঈম। এই ম্যাচের আগে তাঁর রান ছিল ১০৯৫৩। সর্বোচ্চ ৩২টি সেঞ্চুরিও ছিল তুষারের, গত মৌসুমে তাঁকে ছাড়িয়ে যান নাঈম। তাঁর সেঞ্চুরিতে সিলেট অ্যাকাডেমি গ্রাউন্ডে দ্বিতীয় দিন শেষে ৮৭ রানের লিড নিয়েছে রংপুর বিভাগ। --- টি স্পোর্ট
প্রথম ইনিংসে ২২১ রান করেছিল ঢাকা বিভাগ। রংপুর আজ দিন শেষে ৮ উইকেটে ৩০৮ রান করেছে নিজেদের প্রথম ইনিংসে। ২২১ বল খেলে ১১১ রানে অপরাজিত নাঈম। ইনিংসে ছিল ১৬টি চার। তাঁর সঙ্গে ৪ রান থেকে কাল আবারও ব্যাটিংয়ে নামবেন রবিউল হক। তানবীর হায়দারের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। ঢাকার হয়ে রিপন মন্ডল ৪টি ও তাইবুর রহমান শিকার করেছেন ২ উইকেট।
খুলনায় আফিফ হোসেন ধ্রুবর হ্যাটট্রিক ও ৬ উইকেটের পর ফলোঅনে পড়েছে বরিশাল বিভাগ। খুলনা বিভাগ প্রথম ইনিংস থামে ৩১৩ রানে। জবাব দিতে নেমে আফিফের ঘূর্ণি জাদুতে ১২৬ রানে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় বরিশাল। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে তারা। ১১৯ রানে নেই ৪ উইকেট। এখনো পিছিয়ে ৬৮ রানে।
রাজশাহীতে মাহমুদুল হাসান জয় (১২৭) ও ইয়াসির আলী রাব্বির (১২৯) সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪০১ রান তুলেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। জবাব দিতে নেমে হাসান মুরাদের ঘূর্ণি বিষে নাকাল হয় রাজশাহী বিভাগ। ১৯৬ রানে গুটিয়ে যায় তারা। ৬ উইকেট নেন মুরাদ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৩৩ রান করেছে চট্টগ্রাম। লিড দাঁড়িয়েছে তাদের ৩৩৮ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪০১ রান তুলেছে ময়মনসিংহ বিভাগ। আগের দিন ১০১ রান করেছিলেন আরিফুল ইসলাম। আজ আবু হায়দার রনি তুলে নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি।
১০৫ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬টি ছক্কা ও ১০টি সাজিয়েছেন নিজের ইনিংসটি। দ্বিতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান করেছে সিলেট বিভাগ। স্বাগতিকেরা এখনো পিছিয়ে ২০৩ রানে।