শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:২৬ বিকাল
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মহসিন কবির

বিএনপির সঙ্গে মিত্রদের দূরত্ব বাড়ছে, আসন না পেয়ে ক্ষোভ

মহসিন কবির: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে দলটির মিত্রদের সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে। বিএনপির ঘোষণা করা ২৭২ আসনের প্রার্থী তালিকা কেন্দ্র করে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সহযোগী বাংলাদেশ লেবার পার্টি ইতোমধ্যেই বিএনপির সঙ্গে দুই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ও গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারাও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, বর্তমানে ওমরাহ পালনের জন্য তিনি সৌদি আরব অবস্থান করছেন। দেশে ফিরলে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেবেন। শরিকদের আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, নির্বাচন জয়-পরাজয়ের বিষয়। এখানে শরিক দলের নেতা হোক আর বিএনপির নেতা হোক, যারা জিতে আসতে পারবে তাদের মনোনয়ন দেবে বিএনপি।

শরিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, বিএনপি মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় সরকার গঠন করবে। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে। যারা নির্বাচনি আসনে জিতে আসতে পারবে, তাদের আসন ছাড় দেওয়া হবে আর যারা জিততে পারবে না, তাদের সরকারে মূল্যায়ন করা হবে।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই ২৮ আসনের বেশিরভাগই যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর জন্য রাখা হয়েছে। তবে কয়েকটি বিরোধপূর্ণ আসন রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ৭ দিনের মধ্যে শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।

ঘোষিত ৩৬ আসনের মধ্যে বিএনপির দীর্ঘ দিনের মিত্র অন্তত ৫ জন প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছে। আবার শরিকদের প্রার্থী এত দেরিতে ঘোষণা দেওয়ায় অনেকে অখুশি এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। কিন্তু শরিকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। দীর্ঘ দিন ধরে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থী এলাকায় কাজ করছেন, এমন আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। পক্ষান্তরে কোন কোন আসনে শরিকদের ছাড় দেওয়া হবে সেটাও আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করতে দেরি করছে বিএনপির হাইকমান্ড। এতে অন্য দলের প্রার্থীদের তুলনায় নির্বাচনী প্রচারে পিছিয়ে পড়ছেন তারা।

শরিক দলগুলোর নেতারা আরও বলছেন, এবার নিজ দলের প্রতীকে ভোট করতে হবে। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ। দ্রুত শরিকদের আসনের ব্যাপারে চূড়ান্ত ঘোষণা না দেওয়া সবার মধ্যে অস্বস্তি কাজ করছে। আমাদের একেকটা দিন এক মাসের মতো। দ্রুত আসনের ঝোঝাপড়া না হলে শরিকদের সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব বাড়তে পারে। এতে ভবিষ্যৎ রাজনীতি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।


গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও জোটের শরিক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সময়ের আলোকে বলেন, বিএনপি আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই প্রার্থী ঘোষণা করেছে। 

যেখানে মঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর আসন রয়েছে। এতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তারাই বলেছে, ‘রেইনবো’ সরকার গড়বে। এটাই কি তা হলে রেইনবোর নমুনা? মিত্রদের গুরুত্বই দিল না। উল্টো যেখানে জামায়াতে ইসলামী নানা তরিকায় মিত্র বাড়ানোর চেষ্টা করছে। নিজের আসনে বিএনপি প্রার্থী দেওয়ায় তিনি বলেন, আমরা মনে করি বিএনপি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভুগছে। তবে আমরা বিএনপির সঙ্গে এখনই জার্নি শেষ করিনি। কথা বলব। বিএনপির সঙ্গে পথচলা নির্ভর করছে তাদের মনোভাবের ওপর। আমি এখন পর্যন্ত ঢাকা-৮ আসনে গণসংযোগ করছি। বিএনপি সেখানে প্রার্থী দিয়েছে। আলোচনা আছে ঢাকা-১২ নিয়ে। সেখানেও বিএনপি চূড়ান্ত কিছু জানাতে পারেনি।

পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের নাম জোটের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। ২৭২টি আসনের ঘোষিত তালিকায় এ ১০ আসনে কাউকে প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। জানা গেছে, ইতিমধ্যে ১০ জন প্রার্থী বিএনপির ‘সবুজ সংকেত’ পেয়েছেন। কয়েক জনকে জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতির কথাও বলা হয়েছে। তাদের সবারই জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে বিএনপির হাইকমান্ড।

গণতন্ত্র মঞ্চের শরিকদের মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইছেন না। তবে তার স্ত্রী জেএসডির সহ-সভাপতি তানিয়া রবের জন্য লক্ষ্মীপুর-৪ আসনটি চাইছেন। কিন্তু এ আসনটি ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি।

দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক দুবারের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক। এ জন্য জেএসডি এখন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও এবি পার্টির সঙ্গে জোট করতে চাইছে। ইতিমধ্যে দলটি একাধিক বৈঠকেও অংশ নিয়েছে।

অন্যদিকে সিলেট-৫ আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ আসন মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন কেন্দ্রীয় নেতা মনির হোসেন কাসেমী, সুনামগঞ্জ-২ আসন শোয়ায়েব আহমদ চাইছেন। 

এ ছাড়া নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিককে নিয়ে আলোচনা চলছে। এসব আসনে কাউকে প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী এলডিপির (অলি) প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি জোটের প্রার্থী ছিলেন। এবারও তাকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে আলোচনা আছে।

ঘোষিত ৩৬ আসনের মধ্যে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র তিন দলের অন্তত ৫ জনকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য কাজ করছিলেন। এর আগে বিএনপির নেতাকর্মীদের তাকে সহযোগিতা করার জন্য দল থেকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে এ আসনে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বেছে নিয়েছে দলটি।

নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। এবারও এ আসনে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে মনে করেছিলেন এনপিপির নেতাকর্মীরা। তবে এ আসনে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামকেই বেছে নিয়েছে দলটি। একইভাবে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ঝালকাঠি-১ আসন থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পিরোজপুর-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। তার বাড়িও এ জেলায়। তবে এবার তিনি ঝালকাঠি-১ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তাকে এ আসন ছাড় দিয়েছিল বিএনপি। এবার শোনা যাচ্ছিল তাকে ঢাকা-৭ আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ আসনে হামিদুর রহমানকে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ ছাড়া রাজবাড়ী-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিলেন এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন। এ আসনে হারুন অর রশিদকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।  

নিজের আসনে প্রার্থী ঘোষণা করায় বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘ ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। প্রার্থী ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঝালকাঠি-১ আসন থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ আসনে রফিকুল ইসলাম জামালকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। আন্দোলন-সংগ্রামের শরিকদের সঙ্গে স্পষ্ট বেঈমানি করেছে তারা। বিগত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ লেবার পার্টি বিএনপির নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ, সক্রিয় ও ত্যাগী ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের শরিকদের পাশ কাটিয়ে এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা ইতিহাসের মীরজাফর চরিত্রের বিকৃত পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।

আসন সমঝোতায় ক্ষুব্ধ ১২ দলীয় জোট আগামী ৮ ডিসেম্বর জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে। জোট নেতারা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন ও সরকার গঠনের যে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন- এ ২৭২টি আসনে মনোনয়ন ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করা হয়েছে।

এদিকে নতুন যেসব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে আলোচিত ঢাকা-১০ আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলমকে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ আসন থেকে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সে জন্য তিনি ওই এলাকার ভোটার হওয়ারও আবেদন করেছেন। ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষ চেয়েছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

যিনি নভেম্বরের শুরুতে বিএনপিতে যোগ দেন। শেষ পর্যন্ত ওই আসনে মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গণমাধ্যমকে বলেছেন, সবাইকে আসন দিয়ে খুশি করা সম্ভব নয়। অনেক কিছু যাচাই-বাছাই করে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। শরিকদের জন্য ২৮টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। এবার জোটে জামায়াত নেই। সেখানে ২৮টি আসনে ছাড় দেওয়া কম কী সে? সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।   

আর প্রার্থী ঘোষণার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ আসনগুলোর মধ্যে আমাদের জোটের (অ্যালায়েন্স) সঙ্গে যারা আছেন তাদের আসনসহ এবং দলের দুয়েকটা বিষয়ে ডিসিশন হবে। সেগুলো আমরা যথাসময়ে ঘোষণা করব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়