ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরমধ্যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় সোমবার (৩ নভেম্বর)। পরে একটি স্থগিত করা হয়েছে, বাকী ৬৩টির মধ্যে জোট ও শরিকদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার কথা রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জন্য ৮ থেকে ১০টি আসন ছাড়তে পারে বিএনপি।
নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির সঙ্গে যদি জোট চূড়ান্ত হয়, অন্তত ৮–১০টি আসন তাদের জন্য বরাদ্দ হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে।
এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, ঢাকা–১১: নাহিদ ইসলাম, রংপুর–৪: আখতার হোসেন, পঞ্চগড়–১: সারজিস আলম, কুমিল্লা–৪: হাসনাত আবদুল্লাহ, ঢাকা–১৮: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা–৯: তাসনিম জারা, নরসিংদী–২: সারোয়ার তুষার, নোয়াখালী–৬: হান্নান মাসউদ ও ঢাকা–১৪: আরিফুল ইসলাম আদীব।
এদিকে, দেশের সার্বিক সংস্কার ও নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আন্তরিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আগামী নির্বাচনে জোট গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই লক্ষ্যে বিএনপির সঙ্গে তাদের কথা চলছে।
এনসিপির একাধিক নেতা একটি অনলাইনকে জানিয়েছেন, দলটি দেশে বিদ্যমান চিরায়ত বিরোধ আর প্রতিহিংসার রাজনীতিকে নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কার বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দিতে চায়। যে দলগুলো এই লক্ষ্যে কাজ করতে প্রস্তুত, তাদের সঙ্গে তারা হাত মেলাতে তৈরি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এনসিপির জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে তারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংস্কারে আগ্রহী দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। উৎস: জাগোনিউজ২৪