শিরোনাম
◈ জাপা‌নের ভা‌র্ডিকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা উত্তর কো‌রিয়ার ক্লাব! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা ◈ কারামুক্ত আইভীর বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে পুলিশ ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৯:১০ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৯:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আগে গোসল থেকে চুল আঁচড়ানো সবই হতো ট্রাম্প স্টাইলে, এখন অযত্নেই দিন কাটছে

বেশ হাইপ তুলে কোরবানির আগে আলোচনায় আসছিলো দেশের খামারের অ্যালবিনো জাতের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। বিশ্বের নামকরা সব পত্রিকার শিরোনাম হলেও শেষপর্যন্ত প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে অবিক্রীত থেকে যায় সেটি। জনসাধারণের আগ্রহের কারণে পরে চিড়িয়াখানায় ঠাঁই হয় সেটির। তবে সেখানে আগের অনাদরে অবহেলায় পড়ে আছে বিরল জাতের এই মহিষটি। আগে যেখানে খামারীর ‘অতিযত্নে’ থাকতো এখন সেটি হয়েছে অবহেলার নির্মম শিকার। 

চিড়িয়াখানায় মহিষটিকে দেখে এসে অনেকেই লিখেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তেমনি এক পোস্টে  অযত্নে পড়ে থাকা মহিষটির ছবি দিয়ে বাবু দেওয়ান নামের একজন লিখেছেন, ‘এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর বাহ্যিকরূপ ছিলো। নিয়মিত তাকে গোসল, খাওয়ানো এমনকি ট্রাম্পের মত করে চুলও আচরে দিতো। 

তিনি আরও লেখেন, ‘দেখতে তাকে একেবারে ধবধবা নাদুসনুদুস সুন্দর লাগতো। সারা বিশ্বের তার সেই সৌন্দর্য এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত ল্যুক আলোচিত হয়।  এরপর তাকে সরকার কিনে নিয়ে চিড়িয়াখানায় রাখা হয়। তার যত্ন কমতে থাকে। তার বরাদ্দের বিশাল অংশ গায়েব হয়ে যায়। প্রতিদিন শুধু তাকে দেখতেই শত মানুষ চিড়িয়াখানায় যায়। দিন দিন অবহেলা ও অযত্নে মাত্র ১০ দিনেই তাকে আর চেনা যায়না। 

সেই ট্রেডমার্ক চুল, সোনালি পশম কিংবা চোখের চাহনি হারিয়ে গেছে। গোসল হয়না নিয়মিত। ধবধবে সুন্দর থেকে দুর্বল হয়ে মলিন হয়েছে তার চেহারা।’

চিড়িয়াখানার অবহেলিতপরিবেশ নিয়ে, ‘কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে যদি সে তার খামারি মালিকের কাছে থাকতো তাহলে যথাযথ সেবা পেত এবং তার সৌন্দর্য আগের মতই থাকতো। একজন প্রকৃত অভিভাবক কতটা গুরুত্বপূর্ণ পশু এবং মানুষের জীবনে এই ছবিটি তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। মালিকের কাছে থাকলে এই কাক তার মাথায় বসতে পারতো না। একে অতিদ্রুত হয় আগের মালিকের কাছে দিয়ে দিন অথবা তাকে অন্য কোন খামারীর কোন মহিষ পালের সাথে থাকার ব্যবস্থা করে দিন। নাহলে দিনে দিনে তার অবস্থা আরো খারাপ হবে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়