শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৪৫ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'জিয়াউল আহসান সিরিয়াল কিলার, তার পদোন্নতির পক্ষে ছিলাম না': সাবেক সেনাপ্রধান

জিয়াউল আহসান একজন সিরিয়াল কিলার। এ কারণে আমি তার পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে ছিলাম না। তবে পদোন্নতি বোর্ডের অধিকাংশই তাকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে আখ্যা দিয়ে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করেছেন। মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের প্রশ্নে এমন কথা উল্লেখ করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে শতাধিক গুম-খুনের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার জেরা হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। 

জিয়াউলের পক্ষে জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাজনীন নাহারসহ অন্যরা।

জেরার একপর্যায়ে সাবেক সেনাপ্রধানের কাছে এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসানের পদোন্নতির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়।

ইকবাল করিমের উদ্দেশ্যে আইনজীবী টিটো বলেন, আপনি সেনাপ্রধান থাকাকালীন তথা ২০১২-১৫ সালের সময়টায় কয়টি পদোন্নতি পেয়েছেন জিয়াউল আহসান।

একটি পদোন্নতি পেয়েছেন বলে জানান সাবেক এই সেনাপ্রধান। আর তা হলো লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে পদোন্নতি।

পদোন্নতির ব্যাপারে কতজন সুপারিশ করেছেন, তা জানতে চান আসামিপক্ষের আইনজীবী।

জবাবে ইকবাল করিম বলেন, অধিকাংশই মতামত দিয়েছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে জিয়াউল আহসানকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। তবে বোর্ডের অনেক সদস্যই নিজেদের ভবিষ্যৎ স্বার্থ চিন্তা করে মতামত দিয়েছেন।

এ পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি মেজর জেনারেল মোমেনকে ডেকে বলেছি যে, জিয়াউল আহসান একজন সিরিয়াল কিলার। আমি তার পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে নই। তুমি পদোন্নতি সভায় এভাবেই উপস্থাপন করবে। পরে সভায় এভাবেই উপস্থাপন করেছেন মোমেন। তথাপি জিয়াউলকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে অভিহিত করে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করেছেন অধিকাংশ সদস্য।

এ প্রসঙ্গে ইকবাল করিম আরও বলেন, জিয়াউল আহসান কখনোই ভালো কর্মকর্তা ছিলেন না। সেনাবাহিনীতে সচরাচর স্টাফ কলেজ করা ছাড়া কাউকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় না। তিনি স্টাফ কলেজ করার যোগ্যতা কখনও অর্জন করেননি। এমনকি স্টাফ কলেজও করেননি। এছাড়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে তিনি কোনো ব্যাটালিয়ন কমান্ড করেননি। এজন্য তিনি কর্নেল পদে পদোন্নতির যোগ্য ছিলেন না।

এছাড়া পদোন্নতি সভায় জিয়াউলকে নিয়ে এমনভাবে উপস্থাপন করায় জেনারেল মোমেনকে কিছুদিন পর সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে বাহরাইনের রাষ্ট্রদূত করা হয়। তাকে প্রেষণে রাষ্ট্রদূত করা হয়েছিল। এ ধরনের পোস্টিংকে ডাম্পিং পোস্ট বলা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এছাড়া পরবর্তী জেরার জন্য আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়