শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৪ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইসবগুল খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও স্বাস্থ্যগুণ

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কেউ সারারাত ভিজিয়ে রাখেন, কেউ আবার ভিজিয়ে রাখার কিছুক্ষণ পরে ইসবগুল খান। অনেকেই হয়তো জানেন না, শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য নয়, হজমের সমস্যা, ডায়ারিয়া থেকে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখা-অনেক ধরনের সমস্যাই সমাধান করে প্রাকৃতিক এই উপাদান। 

‘সাইটা জার্নাল অব ফুড’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইসবগুলের পান ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি। এটি শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। এ ছাড়া ইসবগুলে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবারে থাকায় অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাাখে। বেশির ভাগ মানুষই ইসবগুল খান হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, উপকার পেতে হলে ইসবগুল খেতে হবে সঠিক সময়ে। শুধু পানিতে গুলে খেলেও হবে না। শরীরের সমস্যা অনুযায়ী কখনও ঠান্ডা দুধ, কখনও টক দই মিশিয়ে খেতে পারেন। 

১. কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ইসবগুল সাধারণত হালকা গরম পানি মিশিয়ে খেতে বলা হয়। তবে সমস্যা বেশি হলে, হালকা গরম দুধ মিশিয়েও খেতে পারেন। এক কাপ দুধে এক চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। রাতে খাবার খাওয়ার পর এই পানীয় খেয়ে ফেলুন।

২.যদি অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে তাহলে ঠান্ডা দুধে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন। 

৩. যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইছেন হালকা গরম পানিতে এই উপাদানটি মিশিয়ে খেতে পারেন। যে কোনও ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে এই পানীয় খাওয়া ভালো।

৪. ডায়ারিয়া কিংবা পেট খারাপ হলে পানি কিংবা দুধের সঙ্গে ইসবগুল খাওয়া ঠিক নয়। বাড়িতে পাতা টক দইয়ের সঙ্গে এক চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।

৫. রক্তে বাড়তি শর্করা কিংবা খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার পরে খেলেও সমস্যা নেই। সূত্র: সমকাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়