শিরোনাম
◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিটামিন ডি-এর উৎস কি শুধুই রোদ? জেনে নিন কোন সময়ে, কীভাবে রোদে থাকলে উপকার মিলবে

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়