শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি ঢুকলে কি রোজা ভাঙে?

রোজা সঠিকভাবে আদায় করা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন অনেক কাজেই অসাবধানতাবশত আমাদের রোজা ভেঙে যেতে পারে। তাই কিছু কাজ আমাদের খুবই সাবধানে করতে হবে।

রোজার দিনে অজু বা গোসলের সময় কুলি করা বা নাকে পানি দেওয়ার সময় পানি গলার ভেতরে চলে যেতে পারে। তাহলে রোজা হবে কী না, তা নিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে। যদিও বিষয়টি দৈনন্দিন জীবনের একটি সাধারণ ঘটনা, তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে এর স্পষ্ট ও নির্ধারিত বিধান রয়েছে।

ইসলামি স্কলারদের বক্তব্য অনুযায়ী, অজু বা গোসলের সময় রোজার কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে পানি গলার ভেতরে চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা কাজা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে সাহাবি লাকিত ইবনে সাবিরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ  (সা.) বলেন—

بَالِغْ فِي الِاسْتِنْشَاقِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا

‘তোমরা (অজু ও গোসলের সময়) নাকে ভালোভাবে পানি দেবে; তবে রোজা অবস্থায় নয়।’ (আবু দাউদ ২৩৬৩, তিরমিজি ৭৮৫)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, রোজা অবস্থায় অজু বা গোসলের সময় নাকে পানি দেওয়া ও কুলি করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

প্রখ্যাত তাবেয়ি ও মুহাদ্দিস হজরত সুফিয়ান সাওরি (রাহ.) বলেন- ‘রোজা অবস্থায় কুলি করতে গিয়ে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে গলার ভেতরে পানি চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা কাজা করতে হবে। অজু ফরজ নামাজের জন্য হোক কিংবা নফল নামাজের জন্য—উভয় ক্ষেত্রেই একই বিধান প্রযোজ্য।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজযাক ৭৩৮০)

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়