শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১৮ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধররা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি না ‘ছোটে নবাব’ হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা। তিনি হলেন মীর জাফরের বংশধর।

তার ছেলে সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জাসহ মীর জাফরের বংশের দেড়শোরও বেশি সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রথম দফায় এদিন মুর্শিদাবাদে ভোটগ্রহণ হলেও সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জা, তার ছেলে এবং পরিবারের যেসব সদস্যদের নাম নেই, তারা ভোট দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।

মুর্শিদাবাদের লালবাগের ‘কেল্লা নিজামত’ এবং তার আশপাশের অঞ্চলে বাস করেন মীর জাফরের বংশের সদস্যরা।

তাদের পরিবার জানাচ্ছে, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরে অনেককেই শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে তারা সব নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন।

তাদের অভিযোগ, তবুও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ গেছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশন পরিচালিত ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় মীর জাফরের প্রায় ৩০০-৩৪৬ জন বংশধরের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

মীর জাফরের পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালে অনেক প্রলোভন সত্ত্বেও পরিবারের বেশিরভাগই পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থেকে যায়, এত বছর পরে কেন নতুন করে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা (যিনি মুর্শিদাবাদে ‘ছোটে নবাব’ নামে পরিচিত) এখনও ‘কিল্লা নিজামত’ এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। ‘কিল্লা নিজামত’ চত্বরে নবাব পরিবারের আরও বহু সদস্যর বাস। তাদের অনেকের নামও ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দেওয়া হয়েছে। উৎস: বাংলানিউজ24

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়