শিরোনাম
◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব? ◈ আওয়ামী লীগের দ্রুত পুনরুত্থান কেন এখনই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে? ◈ ‘মোদি আর এক বছরও টিকবেন না’, জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে : রাহুল গান্ধী ◈ জাপা‌নের ভা‌র্ডিকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা উত্তর কো‌রিয়ার ক্লাব! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা ◈ কারামুক্ত আইভীর বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে পুলিশ ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৯:১০ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ উত্তেজনার মধ্যেও জ্বালানি প্রবাহ সচল, আসছে আরও ৬ জাহাজ

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে অচল অবস্থা বিরাজ করায় তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। তবে, এমন পরিস্থিতিতেও এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভালোভাবেই সচল আছে বাংলাদেশে। একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শুধু গত ২৫ দিনেই ভিড়েছে জ্বালানি তেল ভর্তি ৩০টি জাহাজ। 

শুধু তাই নয়, আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে এই বন্দরে ভিড়বে আরও ছয়টি জাহাজ; যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত এক মাসে ৩০টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর গত ৩ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এসব জাহাজ এসেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ ইতোমধ্যে জ্বালানি খালাস করে ফিরে গেছে। বর্তমানে দুটি থেকে খালাস কার্যক্রম চলছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে আরও ছয়টি জাহাজ বন্দরে ভিড়বে। এসব জাহাজের মধ্যে তিনটিতে এলএনজি, দুটিতে গ্যাস অয়েল এবং একটিতে এলপিজি আসছে।

এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের জাহাজ চলাচলে অভয় দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ এবং বিশেষ অনুমোদিত দেশের জন্য এই জলপথ খোলা থাকবে। ইরানের এই বন্ধুতালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। 

বন্দর সূত্রে জানিয়েছে, ৩ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আসা জাহাজগুলোর মধ্যে ছয়টিতে এলএনজি এসেছে। এর মধ্যে পাঁচটি এসেছে কাতার থেকে এবং একটি এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। এলপিজি নিয়ে এসেছে আটটি। এর মধ্যে তিনটি এসেছে মালয়েশিয়া, দুটি ওমান, দুটি এসেছে ভারত থেকে এবং একটি এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। বাকি ১৬টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটিতে গ্যাস অয়েল আনা হয়েছে। যার মধ্যে দুটি সিঙ্গাপুর, দুটি মালয়েশিয়া এবং একটি ভারত থেকে এসেছে। আরও চারটি জাহাজে হাই সালফার ফুয়েল এসেছে, যার সবগুলোই সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা হয়েছে।

অবশ্য, পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ক্রুড অয়েল আমদানি নিয়ে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে ১ থেকে দেড় লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়, যা দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কিন্তু, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসে নির্ধারিত দুটি জাহাজের একটিও এখনও বন্দরে পৌঁছায়নি। সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি জাহাজে করে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর আর কোনও চালান দেশে আসেনি।

তবে, বাংলাদেশ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়। বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন। এর মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আর বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়