শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:৩৭ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা

মনজুর এ আজিজ: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া পাওনা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে বিল পরিশোধ না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রমজান মাসের আগেই অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি করছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ) এই তথ্য তুলে ধরে। সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড হাসনাত, সাবেক সভাপতি ইমরান করিমসহ অন্যান্য নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিআইপিপিএ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানভেদে আট থেকে ১০ মাস পর্যন্ত বিল বকেয়া রয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের চাপ মিলিয়ে কোম্পানিগুলোর আর্থিক ক্ষতি প্রায় আট হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান দৈনন্দিন ব্যয় ও জ্বালানি আমদানির অর্থ জোগাতে বাধ্য হয়ে উচ্চ সুদে ঋণ নিচ্ছে।

বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত রাখার আইনি সুযোগ থাকলেও জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করে দেশীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তা করেনি। ধার করে হলেও তারা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কেন্দ্র মালিকদের অভিযোগ, আর্থিক সংকটে উৎপাদন সীমিত হলে জাতীয় লোড বণ্টন কেন্দ্র বাস্তব চাহিদার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাহিদা দেখিয়ে ক্ষতিপূরণমূলক জরিমানা বাড়িয়েছে। তাদের মতে, এই জরিমানার মাধ্যমে কাগজে-কলমে বিপিডিবির বকেয়া কম দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল থেকে জরিমানা কেটে নেওয়া হয়েছে। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া চলমান।

এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি আমদানি এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, বকেয়ার টাকা না পেলে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে। আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে। সময়মতো অর্থ পরিশোধ না হলে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা বাড়বে। এ অবস্থায় রমজানের আগেই বকেয়ার বড় অংশ পরিশোধ করা জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়