শিরোনাম
◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব?

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৪

চট্টগ্রামে ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল রোববার নগরীর হালিশহর বিশ্বরোডের একটি রেস্তোরাঁয় গোপন বৈঠক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যকলাপ এবং নাশকতা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে ওই গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন যুবলীগ নেতা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৭), মো. নয়ন (১৯), মেহেদী হাসান সোহান (২১), ইব্রাহীম (২৪), সাজ্জাদ হোসেন রাকিব (২৪), ঈসমাইল (২৬), রবিউল ইসলাম রাজু (২০), সাকিল খান (২০), রাজিব (২৯), আশরাফুল (১৯), জাহেদ হোসেন (৩৪), আরিফ (২৫), মো. রাফি (২০) ও ইমাম হোসেন (৩০)। তাঁদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সংগঠনটির অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অ্যাডমিন।

নগর ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ ও নাশকতার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি (উত্তর) বিভাগের একটি চৌকস দল ওই রেস্তোরাঁর পার্টি হলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সেখানে গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।


মো. হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলামের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা দুটি মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে জানা যায়, তিনি ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে একটি গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে রয়েছেন।

এ ছাড়া ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণ’, ‘চট্টগ্রাম উত্তর’ ও ‘ফেনী জেলা’ নামে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাডমিন হিসেবেও তিনি রয়েছেন। অনলাইনে এসব গ্রুপের মাধ্যমে শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা এসব গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।

ডিবিপ্রধান আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই শহিদুল ইসলামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঘটনার দিন রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, জনসাধারণের ক্ষতিসাধন, জনমনে ভয়ভীতি সৃষ্টি, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বল জানা গেছে, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম লালখান বাজার ওয়ার্ড যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বাড়ি ফেনী সদর উপজেলায়। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা আনন্দবাজার এলাকায় থাকেন। তাঁদের মধ্যে নয়ন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়