শিরোনাম
◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি?

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০২:৫৮ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চোখের সামনেই শেষ স্ত্রী-তিন সন্তানসহ ৯ স্বজন, শোকে স্তব্ধ জনি

চোখের সামনে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আশরাফুল রহমান জনি। জনিও তার ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। বিয়ে শেষে পরিবারের সবাই মাইক্রোবাসে উঠলেও জনি ছিলো মাইক্রোবাসের পিছন পিছন মোটরসাইকেলে। তাই প্রাণে বেঁচে গেছেন জনি।

দুর্ঘটনায় জনির চোখের সামনেই মারা যান স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল, পুত্র আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। আর গাড়ির ভেতর থেকে বের করা বীভৎস বাবা, ভাই, বোন, ভাগ্নে-ভাগ্নির মরদেহও দেখেন সে। দুর্ঘটনায় এতো আপনজনকে হারিয়ে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন জনি। পরিবারের সদস্যদের এমন মৃত্যুর খবর পেয়ে গতকাল থেকেই অসাড় হয়ে রয়েছেন মা আঞ্জুমানয়ারা। আর বেঁচে থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মূর্ছা যাচ্ছেন। 

জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, আমার ভাগ্নে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। মারা গেছে ভাগ্নের বাবা, ভাই, বোন ও তাদের ভাগ্নে-ভাগ্নিসহ মোট ৯ জন। এরপর থেকে জনি আর কোন কথাবার্তাই বলছে না। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন, ঝিম দিয়ে থাকছেন, কখনও কখনও একটু একটু করে তাকাচ্ছেন। কিছুই বলতে ও করতে পারছেন না জনি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের রামপালে বেলাই ব্রিজ এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বর-কনেসহ ১৪ জন নিহত হন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বর আহাদুর রহমান সাব্বির, তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক, বরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তাঁর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ, আরফা, ইরাম। কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদী রাশিদা বেগম ও নানী আনোয়ারা বেগম এবং মাইক্রোবাস চালক নাঈম। 

এ ঘটনায় নিহতের আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী শোকে স্তব্ধ। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে মোংলার আকাশ। সবার মুখে একই কথা, আনন্দ যে এভাবে বিশাদে রূপ নেবে তা কল্পনাও করতে পারেনি। এমন দুর্ঘটনা-এর আগে তারা দেখেননি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়