শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৫০ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বল্প খরচে লাভের সম্ভাবনা: রাজশাহীর আড়ানীতে তুলা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

ইফতেখার আলম বিশাল, রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় ধান, গম ও শাকসবজির পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে। স্বল্প জমিতে তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকায় দিন দিন তুলা চাষের প্রতি ঝুঁকছেন তারা।

এক সময় আড়ানী এলাকায় সীমিত পরিসরে তুলা চাষ হলেও অন্যান্য ফসলের আধিক্যের কারণে তা তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবে বর্তমানে তুলার বাজারমূল্য ও ফলন সন্তোষজনক হওয়ায় নতুন করে এ চাষে ফিরছেন পুরোনো চাষিরা, পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছেন নতুন কৃষকরাও।

স্থানীয় এক তুলা চাষি জানান, *“আমি অনেক বছর ধরেই তুলা চাষ করছি। এতে খরচ কম, পরিচর্যাও তুলনামূলক সহজ। বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায় বলে এখন অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।”*

রাজশাহী জোনের আড়ানীর কটন ইউনিট অফিসার মো. হোসেন আলী বলেন, *“এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই কৃষকদের তুলা চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছি। এ চাষ সফল হলে আড়ানী এলাকায় বিকল্প ফসল হিসেবে তুলা চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকাভুক্ত চাষিদের বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহযোগিতাও দেওয়া হচ্ছে।”*

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলা চাষ সম্প্রসারিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তুলা চাষ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাঘা ও চারঘাট উপজেলায় বর্তমানে মোট ৩০০ জন তুলা চাষি রয়েছে। এর মধ্যে বাঘা উপজেলায় ২০০ জন এবং চারঘাটে ১০০ জন। চলতি মৌসুমে দুই উপজেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার মণ। এবার বাঘা ও চারঘাট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৬শ বিঘা জমিতে তুলা চাষ হয়েছে, যার মধ্যে বাঘা উপজেলায় প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে আবাদ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়