শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাঁঠালপাতা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন শিক্ষক

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মহাসড়কের পাশের দোকানে কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক আবদুল হামিদ (৫৮)। ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে কাঁঠাল পাতার স্তূপ। পাতা কিনতে দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড়। ‘‘হামাক এক বোঝা পাতা দেও, মাস্টার।’’ ক্রেতার চাহিদা শুনতেই স্তূপ থেকে টেনে পাতা বের করে দিলেন আবদুল হামিদ। পাতা বুঝে পেয়ে বিক্রেতাকে সালাম দিয়ে চলে গেলেন ওই ক্রেতা।

প্রায় দুই যুগ ধরে বিরামপুর উপজেলার দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কলাবাগান এলাকায় কাঁঠালপাতা বিক্রি করছেন এই শিক্ষক। আবদুল হামিদ জানান, দিন শেষে এ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে চলে তার সংসার। দীর্ঘদিন ধরে কোনো বেতন পান না তিনি।

আবদুল হামিদের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। তিনি ২০০২ সালের ১ জুন উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। যোগদানের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ৯ বার এমপিওর (মান্থলি পে-অর্ডার) জন্য আবেদন করেছেন।

তবে প্রতিবারই তার আবেদন বাতিল হয়েছে। দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি ওই বিদ্যালয়ে বেতন ছাড়াই পাঠদান করে যাচ্ছেন। সংসার চালাতে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কাঁঠালপাতার ব্যবসা। এ থেকে তার প্রতিদিন ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়।

দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ওই বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন আবদুল হামিদ। সরকারি কোষাগার থেকে বেতন না পেলেও বিদ্যালয়, শ্রেণিকক্ষ আর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মায়ায় বাঁধা পড়েছেন। এ জন্য এখনো বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান করেন বলে জানান তিনি।

সূত্র: দৈনিক আমাদের সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়