শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

গত দুই দিনের অভিযানে ৬৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল (জাটকা ধরার জাল) এবং ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

২৪ অক্টোবর পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।

চরাঞ্চলে চলছে মা ইলিশের অবাধ বেচাকেনা

সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে অবাধে চলছে জাটকা ও মা ইলিশের কেনাবেচা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে চরের অস্থায়ী বাজার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা চর এলাকায় বাদশার খেয়াঘাটে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রতিদিনই এলাকায় তদারকি করছি। জাল ও জেলে আটকও করেছি। তবে চর এলাকায় যেতে হলে পুলিশসহ অভিযান চালাতে হয়। আমরা পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। বাদশার খেয়াঘাটে প্রতিদিনই অন্তত দু’বার যাই।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির কারণে নিষেধাজ্ঞার সময়ও চরের অস্থায়ী বাজার ও খেয়াঘাটে অবাধে চলছে মা ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার, যা সরকারের সংরক্ষণ কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গুরুতর অপরাধ। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়