শিরোনাম
◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব?

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাঠদান নেই, প্রাইমারীর সাত শিক্ষকের বদলি চায় এলাকাবাসী

মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর প্রতিনিধি: পড়ালেখায় গাফিলতি, এজন্য সাত শিক্ষকের বদলির আবেদন করলেন অভিভাবক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বদলির আবেদন কার্যকর না করে প্রধান শিক্ষক সহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে দিলেন বিভাগীয় মামলা। এঘটনায় ওই এলাকার অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভের। 

জানা যায়, রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউপির ৫নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ২নং স্বচাষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ পাঠদানে অমনোযোগী। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ মানতে চায় না সহকারী শিক্ষকগণ। এমনকি মাঝে মধ্যে শিক্ষক - শিক্ষিকাদের মধ্যে উচ্চস্বরে বাক বিতন্ডা হয়। শুধু কী তাই?  শিক্ষার্থী কমতে কমতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৭৮ জনে। এ হিসাবও কাগজ কলমে হলেও বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ, অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে না আাসা উদাসীন শিক্ষকদের অন্যত্রে বদলি দিয়ে নতুন শিক্ষক এখানে সংযুক্ত করলে বিদ্যালয়টি প্রাণ ফিরে পাবে। এজন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো: জয়নাল মুন্সি। স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির জানান,  প্রধান শিক্ষক খন্দকার সোহরাব হোসেন ভালো মনের মানুষ। তবে, এতোটা ভালো, ভালো না। 

বিদ্যালয় সংলগ্ন বাসিন্দা আতাউর রহমান, আব্দুর রহিম,মজিবর রহমান  ও মকবুল হোসেন জানান, শিক্ষকে শিক্ষকে কোন্দল থাকায় ১৫- ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত হয় না। মাঝে মধ্যে  শিক্ষকের চেয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম হয়। বিদ্যালয়টি রক্ষা করতে হলে শিক্ষকদের বদলি দ্রুত কার্যকর করতে হবে।  

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা: তাহেরা নাজ সহ সহকারী শিক্ষক তৌহিদা বেগম, লাভলী ইয়াসমিন, মোছা: খায়রুনন্নাহার ও মোকছেদ আরা জানান, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক ইলিয়াছ খান কে বদলি করা হোক। অথবা আমাদের পাঁচ নারী শিক্ষককে বদলি করা হোক। শিক্ষক শিক্ষকের কোন্দল আমাদের অতিষ্ঠ করেছে। এজন্য স্থানীয় কিছু মানুষ আমাদের উপর অভিযোগের আঙুল তুলতে দ্বিধা করছে না। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে ইলিয়াছ খান জানান, পূজার ছুটির পর আপনাকে বিস্তারিত জানানো হবে।

দুই মাসের ছুটিতে থাকা প্রধান শিক্ষক খন্দকার সোহরাব হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের পরিবেশ আমাকে মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সেই সাথে স্কুল পলিটিক্সের কারণেই আমার নামে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। আমি মানসিক চিকিৎসা জনিত ছুটিতে রয়েছি। 
 
নিয়জিত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র রায় জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আছি। পরে, এবিষয়ে কথা হবে। 

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আবুল হোসেন জানান, নিয়জিত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র রায়কে বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্দেশ দওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়