রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাস ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। এ বাসে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলো। যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন বলেন, কুমারখালী থেকে ২টা ১০ মিনিটে বাস ছাড়ে। আমি, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে বাসে ঢাকার সাভার যাচ্ছিলাম। সবাই বেঁচে গেলেও মেয়ে বাসের মধ্যে রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৌলতদিয়া ৩নং ফেরি ঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে হঠাৎ করেই কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নদীতে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে বাসে অর্ধ শতাধিক যাত্রী ছিল। কয়েকজন যাত্রী সাঁতার দিয়ে পাড়ে উঠলেও বেশির ভাগ যাত্রীদের সন্ধান মেলেনি।
স্থানীয় যুবক শাহজাহান শেখ বলেন,সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে উঠতে গেলে হঠাৎ করেই পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ১১ থেকে ১২ জন যাত্রী সাঁতার রিয়ে নদীর কুলে আসলেও অন্যান্যদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।
রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর রশীদ, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ সরেজমিন পরির্দশন করেছেন। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল রানা বলেন, উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও মানিকগঞ্জের ডুবুরী দল এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের আরএমও শরীফুল ইসলাম বলেন, ৩ জন হাসপাতালে আনা হয়। এরমধ্যে ২জন নারী নিহত হয়েছেন। একজন জীবিত চিকিৎসাধীন রয়েছে।