শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩০ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চ্যাটজিপিটিকে ‘থেরাপিস্ট’ হিসেবে ব্যবহার করার ৪টি বড় ঝুঁকি: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

চ্যাটজিপিটি বা এআই চ্যাটবটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই এগুলোকে নিজেদের মানসিক প্রশান্তির হাতিয়ার বা 'থেরাপিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু মর্মান্তিক ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে বিশেষজ্ঞদের। একজন তরুণের আত্মহত্যার পর জানা গেছে, সে মৃত্যুর আগে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে তার বিষণ্নতা নিয়ে কথা বলেছিল। যদিও এআই সরাসরি তাকে উৎসাহিত করেনি, তবে একজন পেশাদার থেরাপিস্টের মতো জীবন রক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপও নেয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থেরাপি হিসেবে এআই ব্যবহার করার ঝুঁকি অনেক। কেন চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবটগুলোকে থেরাপিস্ট হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত নয়, তার ৪টি প্রধান কারণ নিচে তুলে ধরা হলো-

১. ক্ষতিকর ‘ফিডব্যাক লুপ’ তৈরি

এআই মূলত ব্যবহারকারীর কথা বা পছন্দের ধরন অনুযায়ী উত্তর দিতে শেখে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ম্যাথু নূরের মতে, চ্যাটবট অনেক সময় মানুষের অবাস্তব বিশ্বাসকে সমর্থন দিয়ে বসে। ফলে একজন বিষণ্ন ব্যক্তি যদি ভাবেন যে 'দুনিয়ায় কেউ তাকে ভালোবাসে না', তবে এআই-এর উত্তরে সেই ধারণা আরও দৃঢ় হতে পারে। এই ‘ফিডব্যাক লুপ’ মানসিক রোগীকে সুস্থ করার বদলে আরও অসুস্থ করে তোলে।

২. দীর্ঘ আলোচনায় অসংলগ্ন আচরণ

ওপেনএআই নিজেই স্বীকার করেছে যে, ছোটখাটো সাধারণ তথ্যের ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি ভালো কাজ করলেও দীর্ঘ ও জটিল আলোচনায় এর নিরাপত্তা বলয় দুর্বল হয়ে পড়ে। লম্বা সময় ধরে কথা বললে চ্যাটবট আগের তথ্য ভুলে যেতে পারে বা এমন কিছু পরামর্শ দিতে পারে যা ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর। মানুষের মতো এআই-এর কোনো 'থিওরি অফ মাইন্ড' বা দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অনুসরণের ক্ষমতা নেই।

৩. কিশোর ও শিশুদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি

কিশোর-কিশোরীরা অনেক সময় এআই-এর কৃত্রিম সহমর্মিতাকে প্রকৃত মানবিক আবেগ বলে ভুল করে। তারা চ্যাটবটের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা ও সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা মানুষের বদলে এআই-এর সাথে কথা বলাকেই নিরাপদ মনে করে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য একাকীত্ব ও মানসিক অস্থিরতা বয়ে আনে।

৪. আইনি সুরক্ষা ও গোপনীয়তার অভাব

একজন পেশাদার থেরাপিস্ট আইনত আপনার গোপন তথ্য রক্ষা করতে বাধ্য। কিন্তু ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শেয়ার করা তথ্যের কোনো আইনি গোপনীয়তা সুরক্ষা নেই। আপনার একান্ত ব্যক্তিগত কথা ও মানসিক অবস্থা ডেটা হিসেবে সংরক্ষিত হয়, যা পরবর্তীতে আপনার গোপনীয়তা নষ্টের কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ম্যাশেবল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়