শিরোনাম
◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে ◈ লিও‌নেল মে‌সি স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন, বা‌র্সেলোনার অভিনন্দন ◈ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: যুক্তিতর্ক শুনানি আজ ◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৫ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ: ৫ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্লক করল মেটা

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের নেওয়া কঠোর পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার নতুন আইন কার্যকরের প্রথম কয়েক দিনে মেটা প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার অ্যাকাউন্ট ব্লক বা বন্ধ করে দিয়েছে। আজ সোমবার মেটার পক্ষ থেকে এক ব্লগ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেটা জানিয়েছে, নতুন আইন পরিপালনের অংশ হিসেবে তারা তাদের তিনটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম থেকে বিপুল অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে ইনস্টাগ্রামের ৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৩৯টি অ্যাকাউন্ট, ফেসবুকের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭টি অ্যাকাউন্ট ও থ্রেডসের ৩৯ হাজার ৯১৬টি অ্যাকাউন্ট।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় কার্যকর হওয়া এই আইনটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর অনলাইন রেগুলেশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই আইনের বিশেষত্ব হলো—ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মতো জায়গায় মা-বাবার অনুমোদনের ভিত্তিতে শিশুদের অ্যাকাউন্ট রাখার সুযোগ থাকলেও, অস্ট্রেলিয়ায় এমন কোনো ছাড় রাখা হয়নি। আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

তবে আইন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করলেও মেটা এই ঢালাও নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। মেটা কর্তৃপক্ষের দাবি, বয়স যাচাইয়ের দায়িত্বটি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর না রেখে ‘অ্যাপ স্টোর’ (যেমন অ্যাপল বা গুগল প্লে স্টোর) পর্যায়ে করা উচিত। মেটার মতে, এর ফলে শিশুরা একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ হয়ে অন্য কোনো কম নিরাপদ অ্যাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে না।

এদিকে আইনটি অভিভাবকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও অনেক বিশেষজ্ঞ এবং শিশু-কিশোররা এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে এলজিবিটিকিউ+ এবং নিউরোডাইভারজেন্ট সম্প্রদায়ের কিশোর-কিশোরীরা দাবি করছে, এই নিষেধাজ্ঞা তাদের সামাজিক যোগাযোগ ও সমর্থনের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রযুক্তি বোদ্ধাদের আশঙ্কা—ভিপিএন ব্যবহার করে বা বয়স সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনেকে এই নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়