শিরোনাম
◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:২২ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুরনো টিভি, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে লুকিয়ে আছে সোনা! (ভিডিও)

টিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের সার্কিট বোর্ডে সোনা-রূপাসহ নানা ধাতু থাকে। তথ্য ও প্রযুক্তির যুগে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বেড়েই চলেছে। আর এ বিষয়টিকে কাজে লাগাতে এসব ই-বর্জ্যের ভেতরে লুকোনো মূল্যবান ধাতুগুলো বের করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে রয়্যাল মিন্ট।

কার্ডিফের সাউথওয়েলসের কাছে এই কোম্পানিটির কারখানায় ৩০টিরও বেশি দেশের কয়েন তৈরির জন্য বিশ্ববিখ্যাত। দুই বছর ধরে তারা যুক্তরাজ্যের সরকারি মুদ্রা নির্মাতা। এই কোম্পানিরই রসায়ন বিশ্লেষকদের একটি দল কানাডিয়ান স্টার্ট-আপ এক্সিরের সঙ্গে এমন একটি পেটেন্ট আবিষ্কারের দাবি করেছেন- যার মাধ্যমে বাতিল হয়ে যাওয়া টিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটারের অন্যান্য এক্সেসরিজ ও পুরোনো মোবাইল ফোনের ভেতরের সার্কিট বোর্ডগুলো থেকে ৯৯ শতাংশ সোনা বের করছেন তারা। তাদের এ প্রক্রিয়া পুরোদমে চালু হলে প্রতি বছর শত শত কিলোগ্রাম সোনা উৎপাদনে সক্ষম হবে।

পেটেন্টটি গোপন রাখলেও তাদের ডেমো ল্যাবরেটরির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খণ্ডিত সার্কিট বোর্ডের সঙ্গে নিজেদের তৈরি ‘ম্যাজিক গ্রিন দ্রবণ’ মিশ্রণের পরই সোনা তৈরির প্রক্রিয়াটি শুরু হয়। চার মিনিটের মধ্যে ওই মিশ্রণে থাকা সোনা দ্রবীভূত হয়ে তরল আকারে বেরিয়ে আসে। একইভাবে ২০ বার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে দ্রবীভূত সোনার ঘনত্ব বেড়ে যায়। সোনার এই ঘন দ্রবণ ফিল্টার করার পর একটি বিশেষ চুল্লিতে গলিয়ে নাগেটের আকার দেওয়া হয়- যেগুলো দিয়ে কানের দুল, নেকলেস ও অন্যান্য অলঙ্কার তৈরি করা যায়।

রয়েল মিন্ট যুক্তরাজ্যের ৫০টি ই-বর্জ্য সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক সামগ্রী সংগ্রহ করে আসছে। কোম্পানিটির ম্যানুফ্যাকচারিং ইনোভেশনের পরিচালক টনি বেকার জানিয়েছেন, এসব কাঁচামাল থেকে সার্কিট বোর্ডগুলো যান্ত্রিকভাবে আলাদা করে সোনাবিহীন অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। এরপর ইউএসবি পোর্টের মতো সোনাবহনকারী অংশগুলোকে ৫০০ লিটারের চুল্লিতে পাঠানো হয়। যেখানে বড় স্কেলে ম্যাজিক গ্রিন দ্রবণ যোগ করা হয়। এরপর সেগুলো অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সোনার নাগেটে পরিণত হয়। বিবিসির প্রতিবেদনটি আরও জানিয়েছে, টোকিও অলিম্পিকের জন্য ৫ হাজার স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জপদক তৈরি করতে ৬ মিলিয়ন মোবাইল ফোন এবং প্রায় ৭২ হাজার টন ই-বর্জ্য থেকে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়েছিল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়