শিরোনাম
◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রাচীন মিসরের পিরামিডে যা রাখতেন ফারাওরা

প্রাচীন মিসরের পিরামিডগুলো যুগ যুগ ধরে রহস্য ও বিস্ময়ের প্রতীক। তবে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এই পিরামিডগুলোর ভেতরে তুতেনখামেনের সমাধির মতো বিপুল ধন-সম্পদ রাখা হতো না।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষক উলফ্রাম গ্রায়েটজকি বলেন, সবচেয়ে বড় পিরামিডগুলোর সমাধি তুলনামূলকভাবে সাধারণ ছিল, তুতেনখামেনের সমাধির মতো সমৃদ্ধি ছিল না।

খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ২৬৩০ থেকে ১৫২৫ সাল পর্যন্ত প্রাচীন মিসরের ফেরাউনরা পিরামিডে দাফন করা হতো।

যদিও অধিকাংশ পিরামিড বহু শতাব্দী আগে লুট হয়ে গেছে, কিছু অক্ষত বা আংশিক অক্ষত সমাধি থেকে প্রাচীন সমাধি-প্রথা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, রানি নেফেরুপতাহর পিরামিডে মৃৎপাত্র, একাধিক কফিন, সোনায় মোড়ানো অলংকার এবং ওসাইরিস দেবতার প্রতীক পাওয়া গেছে। রাজা হোরের সমাধিতেও লিনেনে মোড়ানো দেহ, ক্যানোপিক জারে সংরক্ষিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং মমির মুখোশ রয়েছে। রানি হেতেফেরেসের সমাধি তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ হলেও, তুতেনখামেনের সমাধির মতো ধনসম্পদ সেখানে নেই।

প্রাচীন মিসরের পিরামিড নির্মাণের যুগে বড় ধনভাণ্ডার সমাধিতে রাখার প্রথা প্রচলিত ছিল না। নিউ কিংডম যুগে (খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ১৫৫০–১০৭০) এই প্রবণতা কিছুটা বাড়লেও, কেন তা ঘটল তা পুরোপুরি জানা যায়নি।

যদিও সমাধি-সামগ্রী সীমিত ছিল, অনেক পিরামিডের দেয়ালে খোদাই করা ছিল ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক লেখাসমূহ, যা ‘পিরামিড টেক্সট’ নামে পরিচিত। এসব লেখায় মৃত ব্যক্তিকে পরকালীন যাত্রায় সাহায্য করার উদ্দেশ্যে মন্ত্র ও আচার-অনুষ্ঠানের উল্লেখ রয়েছে।

গবেষকরা মনে করেন, এই লেখাসমূহ প্রাচীন মিশরীয়দের মৃত্যুর পর আত্মার ধারণা ও পরকাল-ধারণার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

সূত্র: লাইভ সায়েন্স

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়